<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Bijoy Ministries</title>
	<atom:link href="https://bijoyministriesintl.org/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bijoyministriesintl.org</link>
	<description>Changing Children&#039;s Live&#039;s with Eternal hope</description>
	<lastBuildDate>Sun, 24 May 2026 05:41:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2024/06/512x512.jpg</url>
	<title>Bijoy Ministries</title>
	<link>https://bijoyministriesintl.org</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>দাম্পত্য সম্পর্ক একটি এডভেঞ্চার</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2026/05/21/marriage-is-an-adventure/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 May 2026 06:22:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Marriage]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=9904</guid>

					<description><![CDATA[  ভূমিকাদাম্পত্য সম্পর্কে প্রায়শই একটি দুর্দান্ত দুঃসাহসিক অভিযানের সাথে তুলনা করা হয়, যেখানে আনন্দ ও চ্যালেঞ্জের উত্তেজনা এবং অনাকাক্সিক্ষত ঘূর্ণিপাক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="9904" class="elementor elementor-9904">
				<div class="elementor-element elementor-element-4e17622 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="4e17622" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-c638ccb elementor-widget elementor-widget-image" data-id="c638ccb" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="683" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/05/qqqq-copy-1024x683.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-9924" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/05/qqqq-copy-1024x683.jpg 1024w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/05/qqqq-copy-300x200.jpg 300w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/05/qqqq-copy-768x512.jpg 768w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/05/qqqq-copy.jpg 1536w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-8009889 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="8009889" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-d8cde3e elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="d8cde3e" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p> </p><p><strong>ভূমিকা</strong><br />দাম্পত্য সম্পর্কে প্রায়শই একটি দুর্দান্ত দুঃসাহসিক অভিযানের সাথে তুলনা করা হয়, যেখানে আনন্দ ও চ্যালেঞ্জের উত্তেজনা এবং অনাকাক্সিক্ষত ঘূর্ণিপাক ও প্যাঁচগোচ রয়েছে। ঠিক যেমন পথের সঙ্কেতগুলি আসন্ন বিপদ সম্পর্কে ভ্রমণকারীদের সতর্ক করে বা ঝড়ো সমুদ্র একজন নাবিকের সংকল্পের পরীক্ষা করে, তেমনি দাম্পত্য সম্পর্ক নানান রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় যার জন্য মনোযোগ, প্রজ্ঞা এবং দলবদ্ধ কাজের প্রয়োজন হয়। সমস্যা হচ্ছে যে, অধিকাংশ ব্যক্তি প্রায়শই শুধুমাত্র বিয়ের দিনেই অনেক বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে, কিন্তু সত্যিকারের অভিযান শুরু হয় পরবর্তী সময়গুলিতে যার জন্য তাদের কোন প্রস্তুতী বা পরিকল্পনা থাকে না। আর এই সারা জীবনের যাত্রার জন্য প্রয়োজন হয় একসাথে আবিস্কার, পরস্পর বেড়ে উঠা ও একে অপরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার। একটি শক্তিশালী, স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য চ্যালেঞ্জগুলি সফলভাবে বুঝতে পারা ও সে জন্য প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গাইডলাইনটি দাম্পত্যের জটিল যাত্রার জন্য প্রাকটিক্যাল অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করা ও সে বিষয়ে সুষ্ঠ পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে যেন আপনার পথ চলার উত্থান-পতনগুলি আবিস্কার করে একটি পরিপূর্ণ এবং স্থায়ী অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হয়।</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-950bce1 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="950bce1" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-bc5a441 elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="bc5a441" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p><strong> প্রথমতঃ পাল সেট করা/যাত্রা শুরু করা বা ম্যাপিং- একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন</strong></p><p>একটি সফল সমুদ্রযাত্রার জন্য যেমন একটি বলিষ্ঠ জাহাজ অপরিহার্য, তেমনি একটি সমৃদ্ধশালী দাম্পত্য সম্পর্কের জন্য একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করা অপরিহার্য। ভিত্তি হিসাবে যার মধ্যে রয়েছে বিশ্বাস, যোগাযোগ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্বোপরি দুজনের আলাদা ব্যক্তিত্ব, লক্ষ্য, মূল্যবোধ এবং আকাক্সক্ষা যা ভবিষ্যতের জন্য উভয় অংশীদারের দৃষ্টিভঙ্গি একই করতে সাহায্য করে, সামনের যাত্রার জন্য একটি স্পষ্ট পথ নির্ধারণ করে।</p><p><strong>দ্বিতীয়তঃ কো-পাইলটিং এর গুরুত্ব<br /></strong><br />দাম্পত্য হচ্ছে একটি ক্রস-কান্ট্রি রোড ট্রিপের অনুরূপ, যেখানে টিমওয়ার্ক এবং পরস্পরের সহযোগিতা অপরিহার্য। একজন ড্রাইভার এবং পথ নির্দেশকের মতো যারা একে অপরের ভূমিকার পরিপূরক, জীবনসঙ্গীকে অবশ্যই দাম্পত্য সম্পর্কে একে অপরের সহ-পাইলট হিসাবে একসাথে কাজ করতে হবে। এটি একটি টিম ওয়ার্ক। আপনি নেতৃত্ব দেন আর সাপোর্ট করেন না কেন, প্রত্যেক অংশীদারই অভিষ্ট লক্ষ্যের দিকে সম্পর্ককে পরিচালনা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। দম্পতিরা দাম্পত্য জীবনের উত্থান-পতনগুলিকে শক্তি এবং ঐক্যের সাথে পরিচালনা করতে পারে যদি তারা একে অপরের সাথে সঠিক ভাবে যোগাযোগ করার মাধ্যমে সাহায্য করতে পারে।</p><p><strong>তৃতীয়তঃ ঝড়ো সমুদ্রে হাল ধরা (নেভিগেট করা) &#8211; বিভিন্ন সংকেতের দিকে খেয়াল রাখা &#8211; চ্যালেঞ্জগুলি অতিক্রম করা</strong></p><p>প্রতিটি দাম্পত্য সম্পর্ক অবশ্যই সমুদ্রের ঝড়ের মুখোমুখি হবেই, শান্তশিষ্ঠ যাত্রাপথ মুহুর্ত্যেই রুক্ষ হয়ে উঠতে পারে। দাম্পত্য সম্পর্ক পারিবারিক সংঘাত, বাহ্যিক চাপ এবং অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে পারে। কোন কোন সময় হয়তো চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে না কিন্ত বিভিন্ন সংকেত সম্ভব্য চ্যালেঞ্জের বিষয়ে সতর্ক করে দেয়। <br />দাম্পত্যের দুঃসাহসিক যাত্রায় সমস্যার প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণগুলিকে চিহ্নিত করা বা বুঝতে পারা যেমন, আর্থিক সংকট, স্বাস্থ্য সমস্যা, কর্ম জীবনের ভারসাম্যহীনতা, বা পারিবারিক সংঘাতের মতো বাহ্যিক চাপের মুখোমুখি হওয়ার সময় একতা ও দলবদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিপদ এড়াতে ভ্রমণকারীদের যেমন সতর্ক থাকতে হয়, তেমনি দম্পতিদের তাদের সম্পর্কের মধ্যে এই লক্ষণগুলির প্রতি মনোযোগী হতে হবে। সমস্যাগুলিকে অবিলম্বে একসাথে মোকাবেলা করার মাধ্যমে, দম্পতিরা আরও শক্তিশালী এবং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠতে পারে। আর উপযুক্ত ভাবে সংঘাত বা সমুদ্রের আবহাওয়া মোকাবেলা বা সমাধানের কৌশলগুলির মাধ্যমে কীভাবে গঠনমূলক ভাবে মতবিরোধকে কাটিয়ে উঠতে হয় তা শেখা জীবন সঙ্গীর মধ্যের বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করতে পারে। এটি যে সমস্যাকে শুধুমাত্র সমাধান করে তা নয় বরং বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করে। <br />বিজ্ঞতা ও পারস্পরিক সমর্থনের সাথে দাম্পত্যেও ঝড়ো সমুদ্রে শক্ত ভাবে হাল ধরা একটি শক্তিশালী, ও আরও ঐক্যবদ্ধ অংশীদারিত্বের দিকে নিয়ে যায়। লক্ষণগুলির প্রতি মনোযোগ দিয়ে এবং একসাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মাধ্যমে, দম্পতিরা নিশ্চিত করতে পারে যে তাদের সম্পর্কের উন্নতি অব্যাহত রয়েছে, বাধাগুলিকে নিজেদের বৃদ্ধির সুযোগ হিসাবে ব্যবহার করে এবং তাদের শেয়ার করা দুঃসাহসিক কাজকে আরও গভীর স্থানে উন্নীত করে।</p><p><strong>চতুর্থতঃ নির্দেশনা চাওয়া &#8211; নির্দেশনার জন্য জিজ্ঞাসা করা</strong></p><p>অনিশ্চয়তা বা প্রতিকূলতার সময়ে, বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা বা পেশাদারদের কাছ থেকে নির্দেশনা চাওয়া অমূল্য সহায়তা প্রদান করতে পারে। ঠিক যেমন পথভ্রষ্ট ভ্রমণকারী তার পথ খুঁজে বের করার জন্য দিকনির্দেশা খোঁজে, সাহায্য চায়; তেমনি ভাবে দাম্পত্য জীবনে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দম্পতিরা বাইরের দৃষ্টিকোণ এবং পরামর্শ থেকে উপকার পেতে পারে। অভিজ্ঞ দম্পতিদের পরামর্শ হোক বা পেশাদার কাউন্সেলিং, নম্রতা এবং পথনির্দেশের জন্য উন্মুক্ততা বাধাগুলি অতিক্রম করতে এবং দাম্পত্য সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য খুবই দরকারী।</p><p><strong>পঞ্চমতঃ নৈসর্গিক রুট উপভোগ করা &#8211; ঘনিষ্ঠতা ও এডভেঞ্চার উৎপন্ন করা</strong></p><p>দাম্পত্য সম্পর্ক মানেই শুধুমাত্র কঠিন সময়ে টিকে থাকা নয়; বরং এটা ভ্রমনের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যকেও উপভোগ করা। যা মানসিক, শারীরিক এবং আত্মিক সংযোগের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলার উপর মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে ফলে দাম্পত্যে সন্তুষ্টি এবং দীর্ঘায়ু নিয়ে আসে। নতুন অভিজ্ঞতা, শখ পুরণ ইত্যাদির মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার বোধ জাগিয়ে তোলে এবং সম্পর্কের মধ্যে প্রাণ শক্তি নিয়ে আসে।</p><p><strong>ছষ্টতঃ নিরাপদ ঘাটে তরী নোঙ্গর করা (পৌঁছানো) &#8211; মাইলফলক উদযাপন এবং প্রতিশ্রুতি নবায়ন করা</strong></p><p>সমুদ্র পথে যাত্রায় জাহাজ যখন নিরাপদে কোন বন্দরে পৌছায় তখন নাবিকেরা স্বস্তিবোধ করে এবং ফেলা আসা দীর্ঘ পথের বিষয় চিন্তা করে একই ভাবে দম্পতিরা যখন দাম্পত্যের এই যাত্রায় ছোট-বড় উভয় অর্জনকে উপভোগ করেন এবং পারস্পরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, ফলে বন্ধন শক্তিশালী হয়, শ্রদ্ধা বাড়ে এবং সঙ্গীর মধ্যে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায়। দুজনার একসাথে কাটানো ভাল সময়গুলি সম্পর্কে চিন্তা করা এবং শপথগুলি পুণরায় উচ্চারণের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যেতে আকাক্সক্ষাকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে।</p><p><strong>উপসংহার</strong></p><p>দাম্পত্য সম্পর্ক হচ্ছে একটি অসাধারণ যাত্রা/ট্রিপ, একটি দুঃসাহসিক কাজ যা পরস্পরকে বৃদ্ধি পেতে, অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে এবং আনন্দ ও চ্যালেঞ্জ উভয় অভিজ্ঞতাতেই ভরপুর। <br />সুষ্ঠ পরিকল্পনা করে, সঠিক ভাবে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং প্রয়োজনের একে অপরকে সাহায্য করার মাধ্যমে, তারা আত্মবিশ্বাস, শক্তি ও পারস্পরিক সমর্থনের সাথে দাম্পত্য জীবনের সকল জটিলতাগুলিকে মোকাবেলা করতে পারে। সঠিক সরঞ্জাম/উপকরণ ও তথ্যের সাহায্যে তারা দাম্পত্যের দুঃসাহসিক যাত্রাকে উপভোগ করতে পারে এবং একসাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তকে মুল্য দিতে পারে। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে, ভালবাসা ও এডভেঞ্চারের অনুভূতি নিয়ে যাত্রাটি মোকাবেলা করতে পারে যা তাদের সম্পর্ককে সামনের দিনগুলিতে আরো সমৃদ্ধশালী করে তুলবে।</p><p><strong>— ফ্রান্সিস কিশোর, বিজয় মিনিস্ট্রিজ</strong></p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মণ্ডলীর ছিদ্র</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2026/03/31/%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 06:57:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Sermon]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=9422</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদেরকে মণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে সামাজিক স্তরবিন্যাস, বর্ণপ্রথার মতো কাঠামো এবং পুরনো ঐতিহ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="9422" class="elementor elementor-9422">
				<div class="elementor-element elementor-element-5bdc07f e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="5bdc07f" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-771c4c7 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="771c4c7" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img decoding="async" width="1024" height="700" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/03/WhatsApp-Image-2026-03-31-at-4.30.32-PM.png" class="attachment-large size-large wp-image-9427" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/03/WhatsApp-Image-2026-03-31-at-4.30.32-PM.png 1024w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/03/WhatsApp-Image-2026-03-31-at-4.30.32-PM-300x205.png 300w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2026/03/WhatsApp-Image-2026-03-31-at-4.30.32-PM-768x525.png 768w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-9195a9b e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="9195a9b" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-084c95e elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="084c95e" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<h3 style="text-align: center;"><strong>বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদেরকে মণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান</strong></h3><p>বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে সামাজিক স্তরবিন্যাস, বর্ণপ্রথার মতো কাঠামো এবং পুরনো ঐতিহ্য খুব শক্ত, সেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা কখনোই ঠিকমতো জায়গা পায় না। তারা জীবনের সাধারণ নিয়মের অংশ নয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রায়ই &#8216;অপূর্ণ&#8217;, &#8216;হতভাগ্য&#8217;, &#8216;অভিশপ্ত&#8217; বা পরিবারের গোপন পাপের শাস্তি বলে দেখা হয়। তাদের লেখাপড়া, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং দুঃখের বিষয়, ঈশ্বরের উপাসনা থেকেও দূরে রাখা হয়।</p><p>গভীর দুঃখের বিষয় হল: <strong>মণ্ডলী হিসাবে আমরা প্রায়ই যীশু খ্রীষ্টের পরিবর্তে বরং চারপাশের সংস্কৃতির মতো আচরণ করে থাকি।</strong></p><p>এই <strong>মণ্ডলীর ছিদ্রটি</strong> দীর্ঘদিন ধরে বিজয় মিনিস্ট্রিজের মনে খুবই যন্ত্রণা দিচ্ছে। আমরা প্রভুর কাছে পরিচালিত হয়ে এই বড় ও জরুরি প্রয়োজনটি মোকাবিলা করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য শুধু অনুষ্ঠান চালানো নয়, বরং পালকদের ও মণ্ডলীর নেতাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যাতে তারা সত্যিকার অর্থে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও বড়দের মণ্ডলীর জীবনের সাথে যুক্ত করতে পারে এবং এই প্রান্তিক, ভুলে যাওয়া, অথচ অমূল্য মানুষদের কাছে খ্রীষ্টের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।</p><p><strong>ছিদ্রটি আসলেই রয়েছে</strong></p><p>বছর ধরে আমি বাংলাদেশের মণ্ডলীকে কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছি। আমরা অনেক বীজ বপন করি। আমরা ক্রুসেড, প্রার্থনা সভা, বড় সভা, বর্ষপূর্তি উৎসব করি। আমরা বিদেশী প্রচারকদেরকে নিয়ে আসি। তবুও, আমরা খুব সামানই স্থায়ী ফল দেখতে পাই। কিন্তু কেন?</p><p>হগয় ভাববাদী নিখুঁতভাবে বলেছেন: <em>&#8220;তোমরা অনেক বুনেছ, কিন্তু কাটছ অল্প; তোমরা খেয়ে থাকো, কিন্তু তৃপ্ত হও না; পান কর, কিন্তু তৃষ্ণা মেটে না; তোমরা কাপড়-চোপড় গায়ে দাও, কিন্তু তাতে গা গরম হয় না; তোমরা বেতন পেয়ে ফুঁটা থলিতে রাখ।&#8221;</em> (হগয় ১:৬)।</p><p>এটাই আমাদের অনেক মণ্ডলীর অবস্থা। আমরা ঝুড়ি দিয়ে জল বহন করার চেষ্টা করছি। আমরা মানুষকে খ্রীষ্টের কাছে আনছি, কিন্তু পরে তাদের হারিয়ে ফেলছি। কেন? <strong>কারণ আমাদের মণ্ডলীগুলি দুর্বলদের জন্য নিরাপদ জায়গা নয়।</strong></p><p>বাংলাদেশে, সেরিব্রাল প্যালসি, অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত একটি শিশুর পরিবার প্রায়ই লুকিয়ে থাকে। বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যেতে পারেন। মা কলঙ্কিত হন। শিশুকে ঘরের পেছনের কামরায় আটকে রাখা হয়। আর মণ্ডলী? মণ্ডলী তাদের খুঁজতে যায় না। হুইলচেয়ারের জন্য মণ্ডলীতে কোনো ঢালু পথ (র‌্যাম্প) নেই। উপাসনা এত জোরে যে যাদের স্নায়ু খুব সংবেদনশীল, তাদের জন্য তা অসহনীয়। কোন কোন স্থানে নিয়মিত উপাসনা হয় না। সাণ্ডেস্কুলের টিচারদেরকে ঠিকমত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি যে তিনি সেই শিশুটিকে সামলাতে পারেন যার জন্য আলাদা যত্ম দরকার। তাই এধরণের শিশুরা বাড়িতেই থেকে যায়। ফলে ছিদ্রটি আরও বড় হতে থাকে।</p><p><strong>ঈশ্বরের মন ও খ্রীষ্টের দেহ</strong></p><p>বিজয় মিনিস্ট্রিজ যে সমস্ত প্রশিক্ষনের আয়োজন করে থাকে, তাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ঈশ্বরের হৃদয় ও সুসমাচারের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়। আমরা সেই সত্যটি তুলে ধরি যা অনেক পালক ভুলে গেছেন: <strong>খ্রীষ্টের দেহের সকল ধরণের সদস্যের প্রয়োজন।</strong></p><p>পৌল ১ করিন্থীয় ১২:২২-২৩ পদে বলেছেন: <em>&#8220;বরং দেহের সেই সকল অঙ্গ যাহারা দুর্বল বলিয়া মনে হয়, সেগুলি আরও প্রয়োজনীয়; আর দেহের যেসব অঙ্গ আমরা অসম্মানজনক মনে করি, তাদের আমরা অধিক সম্মান দেই।&#8221;</em></p><p>পৃথিবী বলছে: <em>&#8220;তারা দুর্বল। তারা অকেজো। তারা বোঝা।&#8221; কিন্তু যীশু বলেন: &#8220;তারা প্রয়োজনীয়। তারা সম্মানের যোগ্য। তারা একটি মূল্যবাদ গীফট।&#8221;</em></p><p>আমি প্রতিটি মণ্ডলীর নেতাদেরকে চাক সুইন্ডলের এই কথাটি দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাই: <em>&#8220;প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আমাদের পথে বাধা নয়; তারা পথেরই একটি অংশ।&#8221;</em></p><p><strong>আশার আলো: আমাদের দেশে ইতিমধ্যে যে সমস্ত কাজ হচ্ছে</strong></p><p>সুসংবাদ হল, এই ছিদ্র বন্ধ করতে ঈশ্বর ইতিমধ্যেই কাজ করছেন। আমাদের দেখতে হবে অন্যরা কী করছে এবং তাদের বিশ্বাস অনুসরণ করতে হবে।</p><p><strong>১. মারিস্ট মিশনারি সিস্টার্স (ঢাকা)</strong></p><p>ঢাকায়, ক্যাথলিক সিস্টাররা ডাউন সিনড্রোম, অটিজম এবং সেরিব্রাল প্যালসিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। যখন এই শিশুরা প্রথম আসে, অনেকেই নিজে থেকে খেতে বা গোসল করতে পারে না। কিন্তু ধৈর্যশীল ভালোবাসার মাধ্যমে তারা শেখে। এক যুবক সেখানে হস্তশিল্প শিখেছে, এখন কেন্দ্রের সাথে কাজ করে এবং বিয়ে করেছে। সিস্টার সুপর্ণা রোজারিও সাক্ষ্য দেন যে মণ্ডলীকে সেই স্থান হতে হবে যেখানে পরিত্যক্তরা একটি পরিবার খুঁজে পায়।</p><ul><li><strong>আমাদের জন্য শিক্ষা:</strong>যদি একটি শিশু হস্তশিল্প তৈরি করতে শিখতে পারে, তাহলে সেই শিশু মণ্ডলীতে সেবা করতে পারে। প্রতিটি ব্যক্তির দক্ষতা চিহ্নিত করতে হবে, তাদের সক্ষমতা যাই হোক না কেন।</li></ul><p><strong>২. ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (বরিশাল অঞ্চল)</strong></p><p>ওয়ার্ল্ড ভিশন ২০০-এর বেশি ধর্মীয় নেতা—মুসলিম, হিন্দু ও খ্রীষ্টিয়ান—কে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যাতে &#8220;প্রতিবন্ধিতা অভিশাপ&#8221; এই ধারণাটি পরিবর্তন করে &#8220;ঈশ্বর তাদের নিজের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছেন&#8221; এই ধারণায় পরিণত হয়। এমনকি ইমামরাও এখন প্রচার করেন যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অধিকার রয়েছে।</p><ul><li><strong>আমাদের জন্য শিক্ষা:</strong>যদি ইমামরা অন্তর্ভুক্তির কথা প্রচার করতে পারেন, তবে কীভাবে মণ্ডলী নীরব থাকতে পারে? আমাদের মধ্যে থাকা বাঁধা দেওয়া সাংস্কৃতিক কুসংস্কার ভাঙতে হবে।</li></ul><p><strong>৩. বাংলাদেশের চার্চ (নীতি পরিবর্তন)</strong></p><p>কোন কোন মণ্ডলী সম্প্রতি ছয়টি নতুন নীতি নির্দেশিকা তৈরি করেছে, যার মধ্যে একটি শিশু সুরক্ষা নীতি এবং একটি লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি নীতি রয়েছে।</p><ul><li><strong>আমাদের জন্য শিক্ষা:</strong>অন্তর্ভুক্তি শুধু আবেগ নয়; এটি একটি কাঠামো। আমাদের মণ্ডলীর সংবিধানে &#8220;বিশেষ চাহিদা অন্তর্ভুক্তি&#8221; লিখতে হবে। আমাদের নেতাদেরকে (প্রাচীন ও ডিকন) প্রশিক্ষণ দিতে হবে যাতে তারা দুর্বল সদস্যদকে স্বাগত জানাতে ও রক্ষা করতে পারেন।</li></ul><p><strong>৪. &#8220;প্রতিবেশীকে ভালোবাসো: শিশুদের প্রতি সদ্ব্যবহার&#8221; প্রচারণা </strong></p><p>এই প্রচারণাটি ল্যাটিন আমেরিকায় শুরু হলেও এর নীতিগুলি বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত। প্রচারণাটি ঘোষণা করে:</p><ul><li>প্রতিটি শিশু একজন মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সম্মানিত, ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট।</li><li>প্রতিটি স্থানীয় মণ্ডলী হলো সুরক্ষার একটি কমিউনিটি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রতি &#8216;সদ্ব্যবহারের সংস্কৃতি&#8217;র প্রচারক।</li><li>প্রতিটি শিশু ও কিশোর-কিশোরী &#8216;সদ্ব্যবহারের সংস্কৃতি&#8217;র প্রচারের এক একজন এজেন্ট।</li></ul><p>কল্পনা করুন যদি আমাদের দেশের প্রতিটি মণ্ডলী এই কথাটিকে নিজের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করে।</p><p><strong>আমাদের মণ্ডলীগুলির জন্য ব্যবহারিক সমাধান</strong></p><p>নিচে কিছু ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলো দেওয়া হলো …</p><p><strong>১. পরিবহনের ব্যবস্থা করুন</strong></p><p>আমাদের দেশে একজন মা তার প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে মণ্ডলীতে আসতে পারেন না। উন্নত দেশের মত তাদের নিজেদের কোন পরিবতন নেই। মণ্ডলী তাদের জন্য ভ্যান-রিকসা অথবা স্বেচ্ছাসেবকদের একটি নিবেদিত দল যাদের ব্যক্তিগত পরিবহনের সুবিধা আছে—এই সুবিধাগুলি বাড়িতে থাকা এবং যীশুর সাথে সাক্ষাতের মধ্যে অবশ্যই পার্থক্য তৈরি করতে পারে। <strong>তাদেরকে খুঁজে নিয়ে আসুন। </strong></p><p><strong>২. প্রতিটি শিশুর জন্য একজন সাহায্যকারীকে প্রশিক্ষণ দিন</strong></p><p>আপনার বিশেষ পড়ালেখার ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। আপনার দরকার একজন অনুকম্পাযুক্ত ব্যক্তি, যিনি অটিজম আক্রান্ত শিশুর পাশে বসে সেবার সময় তাকে সাহায্য করবেন। এই ব্যক্তি শিশুটিকে অনুসরণ করতে সাহায্য করে, যদি তারা অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে পড়ে তবে তাদের বাইরে নিয়ে যায় যেন অভিভাবকেরা সত্যিকার অর্থে শান্ত ভাবে বসে ঈশ্বরের বাক্য শোনার সুযোগ পায় — যা হয়ত বছরের পর বছর তাদের জন্য সম্ভব হয়নি।</p><p><strong>৩. প্রয়োজন নয়, দক্ষতা চিহ্নিত করুন</strong></p><p>অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা করুন: <em>&#8220;আমার সন্তান কোন বিষয়ে ভালো?&#8221;</em> তারা কি উপাসনায় উপহার তুলতে পারবে? তারা কি চেয়ার সাজাতে পারে? তারা কি নীরবে প্রার্থনা করতে পারে? তারা কি একটি গান গাইতে পারে? তাদেরকে শুধুমাত্র সেবা গ্রহিতা হিসেবে দেখবেন না। তাদের সেবক হিসেবেও দেখুন।</p><p><strong>৪. পরিত্যক্ত পরিবারের জন্য পালকীয় সেবা</strong></p><p>যখন একজন বাবা তার পরিবার ছেড়ে চলে যান কারণ হতে পারে পরিবারে প্রতিবন্ধি সন্তান, বা কন্যা সন্তান বা একাধিক স্ত্রী থাকার জন্য স্বামী স্থায়ী ভাবে এক জায়গায় থাকে না, তখন মণ্ডলীকে এগিয়ে আসতে হবে। পিতৃহীনের পিতা হও (গীতসংহিতা ৬৮:৫)। এর মানে ব্যবহারিক সাহায্য: চাল, তেল, থেরাপির জন্য টাকা, অথবা শুধু দেখা করা ও উৎসাহ জানানো &#8211; বলা, <em>&#8220;তুমি একা নও।&#8221;</em></p><p><strong>৫. প্রতিবন্ধিদের জন্য সচেতনতার রবিবার আয়োজন করুন</strong></p><p>বছরে একদিন, প্রতিবন্ধি বিষয়ে খোলাখুলি প্রচার করুন। একজন ডাক্তার, একজন থেরাপিস্ট, অথবা একজন অভিভাবককে তাদের সাক্ষ্য দিতে আমন্ত্রণ করুন। প্রতিবন্ধিতা যে ঈশ্বরের অভিশাপ নয় তা প্রকাশ করুন। ঘোষণা করুন যে সকল শিশুই <em>&#8220;ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে তৈরি।&#8221;</em></p><p><strong>একটি সতর্কতা এবং একটি প্রতিশ্রুতি</strong></p><p>আমাদের দেশে এমন অনেক খ্রীষ্টিয়ানকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি যারা মণ্ডলী থেকে সরে এসেছেন কারণ তারা আঘাত পেয়েছেন। তারা দেখেছেন তাদের প্রতিবন্ধী সন্তানকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে &#8220;আরও প্রার্থনা কর&#8221; বা &#8220;ভূত তাড়িয়ে দাও&#8221;। তারা দেখেছে মণ্ডলী সুন্দর ভবন তৈরি করছে যখন তাদের সন্তান ঘরের মাটির মেঝেতে লুটোপুটি খাচ্ছে।  সেই সমস্ত নেতা/পালকদের আমি বলি, ‘আপনি যদি এই ছিদ্র বন্ধ না করেন, তাহলে আপনি অনেক বপন করতে থাকবেন এবং সামান্যই কাটবেন। ঈশ্বর একটি ভাঙা পাত্রে নতুন ফসল ঢালবেন না।’</p><p>কিন্তু আপনি যদি আপনার দরজা সত্যিকার অর্থে খুলে দেন— সকল শিশু (খ্রীষ্টিয়ান ও নন-খ্রীষ্টিয়ান) ও প্রতিবন্ধীদের জন্য—তাহলে আপনি এমন একটি ফসল দেখতে পাবেন যা আপনি ধারণ করতে পারবেন না। আপনি পরিবারগুলিকে রক্ষা পেতে দেখবেন। আপনি অলৌকিক কাজ দেখবেন। আপনি প্রেরিত ২ অধ্যায়ের মণ্ডলীর মতো হয়ে উঠবেন: সকল বিশ্বাসীদের একটি সমাজ, বিশেষ চাহিদাসহ এবং চাহিদা ছাড়া, একসঙ্গে প্রভুর উপাসনা করা।</p><p><strong>আমার প্রার্থনা</strong></p><p>প্রভু, আমি তোমাকে আমাদের মণ্ডলীর ছিদ্র বন্ধ করতে অনুরোধ করছি। আমাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস দাও। সেই সব অবহেলিত ও ভুলে যাওয়া লোকদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য হৃদয়ে উপচে পড়া ভালোবাসা দাও। এ দেশে এমন পালক ও নেতাদেরকে উঠাও যারা শুধু স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণদের কাছে প্রচার করবেন না, বরং পেছনের ঘর এবং লুকানো বাড়িগুলিতে যাবেন এবং তাদেরকে বাইরে নিয়ে আসবেন। মণ্ডলী দুর্বলদের জন্য একটি বিজয় হোক। যীশুর নামে, আমেন।</p><p style="text-align: center;"><em>&#8220;কিন্তু যীশু বললেন, &#8216;ছোটো ছেলেমেয়েদের আমার কাছে আসতে দাও, আর তাদের বাধো না; কারণ স্বর্গরাজ্য এমনদেরই।'&#8221;</em> (মথি ১৯:১৪)</p><p><em>এর মধ্যে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুটি অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে হুইলচেয়ারে থাকা কিশোরটি অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে বৃহত্তর জনগোষ্টির নাম না জানা শিশু-কিশোরেরাও অন্তর্ভুক্ত, অন্তর্ভুক্ত যে কথা বলতে পারে না, সেও। তারা আমাদের পথে বাধা নয়। তারাই পথ।</em></p><p><strong>— ফ্রান্সিস কিশোর, বিজয় মিনিস্ট্রিজ</strong></p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বনসাই ও যুবদের পবিত্রতা</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/12/03/bonsai-and-youth/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Dec 2025 05:00:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Devotion]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=8952</guid>

					<description><![CDATA[অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য ডিভোশন“বোনসাই থেকে শিক্ষা” একটা ছোট গাছ—বোনসাই—দেখতে যত সুন্দর, রাখাটা তত কঠিন। নিয়মিত কাটাছাঁটা, যত্ন, পানি দেওয়া, বাড়তি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="8952" class="elementor elementor-8952">
				<div class="elementor-element elementor-element-8bfa078 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="8bfa078" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-844db12 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="844db12" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img decoding="async" width="686" height="386" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/12/hq720-copy.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-8954" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/12/hq720-copy.jpg 686w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/12/hq720-copy-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 686px) 100vw, 686px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-a04ba25 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="a04ba25" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-990bbf4 elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="990bbf4" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p style="text-align: center;"><strong>অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য ডিভোশন<br></strong><em>“বোনসাই থেকে শিক্ষা”</em></p>
<p>একটা ছোট গাছ—বোনসাই—দেখতে যত সুন্দর, রাখাটা তত কঠিন। নিয়মিত কাটাছাঁটা, যত্ন, পানি দেওয়া, বাড়তি পাতা তুলে ফেলা—সব করতে হয়। না হলে গাছটা নষ্ট হয়ে যায়।</p>
<p>আমাদের জীবনেও ঈশ্বর ঠিক এইভাবে কাজ করতে চান।<br>যা আমাদের দূষিত করে তা কাটতে বা বাদ দিতে বলেন—কারণ তিনি আমাদের ভালোবাসেন।</p>
<p>যৌনতার ব্যাপারে ঈশ্বর যে সীমা দিয়েছেন, সেটা আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়, কিন্তু সুরক্ষা দেবার জন্য। তিনি চান আমরা সুস্থ, শক্ত, আর সম্মানিত ভাবে বড় হই।</p>
<p>বাইবেল বলে, “শরীর ও আত্মাকে দূষিত করে এমন সবকিছু থেকে নিজেদের পরিশুদ্ধ করো…” (২ করিন্থীয় ৭:১)।<br>এটা আসলে কাটাছাটার ভাষা—বোনসাইয়ের মতোই। ঈশ্বর আমাদের জীবন থেকে এমন সবকিছু তুলে ফেলতে সাহায্য করেন যা আমাদের ক্ষতি করে।</p>
<p>তাহলে আমরা কীভাবে নিজের জীবনে &#8220;বোনসাই কাটাছাঁটা&#8221; করব?</p>
<ol>
<li><strong>কি দেখবে ও শুনবে সে বিষয়ে সাবধানে বেছে নাও।</strong><br>মুভি, গান, রিল—সবই তোমাকে গড়ে। যা তোমাকে ভুল পথে টানে, সেগুলোর বিষয়ে সাবধান হও। প্রয়োজনে কমাও কারণ এটি তোমাকে গড়ে তোলে বা ভেঙ্গে ফেলে।</li>
<li><strong>তোমার পোশাক তোমার হৃদয়ের কথা বলে।</strong><br>স্টাইল করো, কিন্তু নিজের সম্মান যেন হারিয়ে না যায়। তোমার পোশাক তোমার হৃদয়ের কথাই বলে। তুমি কারও নজর কাড়তে জন্মাওনি। তুমি ঈশ্বরের সন্তান—তোমার সম্মান আছে।</li>
<li><strong>সম্পর্ক বেছে নাও বুদ্ধিমানের মত।</strong><br>যে তোমাকে ঈশ্বর থেকে দূরে টানে—সে তোমার জন্য নয় বরং ডেট করলে এমন কাউকে বেছে নাও, যে তোমার মতোই পবিত্র থাকতে চায়। দু’জনের দিক যদি একই হয়, ভুল করার সম্ভাবনা কমে যায়।</li>
<li><strong>মাথা পরিষ্কার রাখো।</strong><br>বোনসাই মালিক কখনো ঘুম ঘুম অবস্থায় গাছ কাটে না। তেমনই—মাদক, মদ, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত রাগ জাগা —এসব তোমাকে দুর্বল করে। পরিষ্কার মাথা তোমাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।</li>
<li><strong>নিজের দুর্বলতা চিনে নাও</strong><br>যেখানে পড়ে যাওয়ার সুযোগ আছে—সেগুলো এড়িয়ে চলো। তুমিই জানো তোমার দুর্বলতা কোথায়। তাই যেখানে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি—সেখান থেকে দূরে থাকো। সেটা যাই হোক না কেন—অ্যাপ, চ্যাট, জায়গা, সময়—কেটে ফেলো।</li>
<li><strong>ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ রাখো</strong><br>ভুল করলে অনেক সময় আমরা ঈশ্বরের থেকে দূরে যেতে চাই। কিন্তু তিনি রাগী বিচারক নন—তিনি সেই বাগানী, যিনি তোমাকে গড়ে তুলছেন। ভুল করলেও তাঁর কাছে যেও। তিনি তোমাকে লজ্জা দিতে চান না। তিনি তোমাকে গড়তে চান। তিনি তোমাকে ছাড়েন না।</li>
</ol>
<p><strong>শেষ কথা:<br></strong>পবিত্রতা মানে জীবনকে ছোট করে ফেলা নয়।<br>পবিত্রতা মানে জীবনকে ঠিক পথে নিয়ে যেতে মনযোগী হওয়া।<br>অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে দিলে জীবনের সেরা জিনিসগুলো বেড়ে ওঠে। জীবন একটা আর্ট হয় ঠিক বনসাইয়ের মত। এখন ঈশ্বরকে তোমার জীবন গড়তে দাও—যাতে ভবিষ্যতে তুমি শক্ত, সুন্দর, এবং প্রস্তুত হয়ে ওঠো তাঁর পরিকল্পনার জন্য।</p>
<p><strong>প্রার্থনা:</strong><br>প্রভু, আমাকে তোমার মতো করে গড়ে তোলো। আমার জীবনের ভুল জিনিসগুলো কাটতে সাহায্য করো। আমেন।</p><p><span style="font-weight: 700; text-align: justify;">— ফ্রান্সিস কিশোর</span></p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আপনার দাম্পত্য সম্পর্ক দ্রুত নষ্ট করার সহজ উপায়</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/08/19/marrige/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 03:49:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Family and Parenting]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=8534</guid>

					<description><![CDATA[দ্রুত দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার সহজ উপায় এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের রহস্য বাইবেল খুব স্পষ্টভাবে বলে যে দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="8534" class="elementor elementor-8534">
				<div class="elementor-element elementor-element-cced728 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="cced728" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-d26ae64 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="d26ae64" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img decoding="async" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/08/hq720-copy.webp" title="" alt="" loading="lazy" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-32844ce e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="32844ce" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-000bc12 elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="000bc12" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p><strong>দ্রুত দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার সহজ উপায় এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের রহস্য</strong></p><p>বাইবেল খুব স্পষ্টভাবে বলে যে দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার একটি মূল কারণ হলো—&#8221;এক দেহ&#8221; হওয়ার মূলনীতিকে উপেক্ষা করা। ঈশ্বর বলেছেন, “স্বামী-স্ত্রী এক দেহ হবে”—এটি একটি গভীর রহস্য (আদিপুস্তক ২:২৪; ইফিষীয় ৫:৩১)।</p><p>দাম্পত্য জীবনের শুরুতে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য আত্মত্যাগ করেন, ভালোবাসা প্রকাশ করেন এবং সঙ্গীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেন। কিন্তু ধীরে ধীরে জীবনের ব্যস্ততা, কাজ, পরিবার, সন্তান, স্বার্থপরতা বা অগ্রাধিকার ভুলে গেলে সম্পর্কে ফাটল ধরে।</p><p><strong>দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার সহজ উপায়সমূহ:</strong></p><ol><li><strong>কাজ বা ক্যারিয়ারকে সঙ্গীর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া</strong><ul><li>যদি অফিস, ব্যবসা বা সামাজিক অবস্থান আপনার সঙ্গীর চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়, তবে অবহেলা ও দূরত্ব তৈরি হবে।</li></ul></li><li><strong>পারিবারিক অন্যান্য সম্পর্ককে দাম্পত্য জীবনের উপরে স্থান দেওয়া</strong><ul><li>বাবা-মা, ভাইবোন বা আত্মীয়দের মতামত ও চাহিদা যদি সঙ্গীর চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়, তবে সংঘাত সৃষ্টি হবে। ঈশ্বর বলেছেন ‘মানুষ নিজের বাবা-মাকে পরিত্যাগ করে সঙ্গীর সাথে যুক্ত হয়ে একদেহ হবে…’. এখানে সঙ্গীই প্রাধান্য পাবে, অন্য কেউ নয়।</li></ul></li><li><strong>সন্তানদেরকে সঙ্গীর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া</strong><ul><li>সন্তানেরা আপনার দেহ থেকে এসেছে, কিন্তু তারা কখনও আপনার সঙ্গে <strong>&#8220;এক দেহ&#8221;</strong> হবে না। আপনার স্ত্রী/স্বামীই আপনার আজীবন সঙ্গী। সন্তানকেন্দ্রিক জীবনযাপন দাম্পত্য সম্পর্ককে ধ্বংস করে।</li></ul></li><li><strong>স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা</strong><ul><li>শুধু নিজের ইচ্ছা, আবেগ বা প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিলে সম্পর্কে ভারসাম্য নষ্ট হয়।</li></ul></li><li><strong>যোগাযোগের অভাব ও মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব</strong><ul><li>কথা বলা বন্ধ করা, অভিযোগ জমা রাখা বা একে অপরের অনুভূতি উপেক্ষা করা সম্পর্কে ধীরে ধীরে মৃত্যু ডেকে আনে।</li></ul></li></ol><p><strong>সুখী দাম্পত্য জীবনের চাবিকাঠি</strong></p><ol><li><strong>আত্মত্যাগ</strong><ul><li>দাম্পত্য শুধু &#8220;আমার&#8221; জন্য নয়, বরং &#8220;আমাদের&#8221; জন্য।</li><li>দাম্পত্য মানে আত্মত্যাগ—নিজেকে ছোট করা, সঙ্গীর চাহিদাকে প্রাধান্য দেওয়া।</li><li>এটি সবসময় ন্যায্য নাও হতে পারে, এটি কখনো ৫০-৫০ নাও হতে পারে, অনেক সময় এটি কঠিন ও কষ্টকর হয়।</li><li>কিন্তু যখন মতবিরোধ হয়, তখন দূরত্ব না বাড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বলুন—&#8221;আমরা একসাথে আছি।&#8221;</li><li>এভাবেই ঈশ্বর দেখেন, আপনি এগোচ্ছেন, শিখছেন এবং অনুগ্রহে বৃদ্ধি পাচ্ছেন।</li></ul></li><li><strong>সেবার মনোভাব</strong> (ইফিষীয় ৫)<ul><li>দাম্পত্যে ৫০-৫০ নয়, বরং ১০০% দেওয়ার মনোভাব প্রয়োজন।</li><li>এটি সেবা পাওয়ার জন্য নয়, বরং সেবা করার জন্য।</li><li>দাম্পত্য সম্পর্ক কেবল একটি সম্পর্ক নয়—এটি একটি মন্ত্রণালয় (ministry)। এর মাধ্যমে খ্রীষ্টের ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।</li></ul></li><li><strong>একাত্মতা বজায় রাখা</strong><ul><li>ঝগড়া হলেও হাত ছেড়ে না দেওয়া, বরং বলুন—&#8221;আমরা একসাথে এই সমস্যা সমাধান করব।&#8221;</li><li>দাম্পত্য সম্পর্ক কেবল সুখের জন্য নয়, বরং পবিত্রতা ও পরিপক্বতার জন্য।</li><li>এটি সঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়ার বিষয় নয়, বরং নিজেকে সঠিক মানুষে পরিণত করার বিষয়।</li></ul></li></ol><p><strong>উপসংহার</strong></p><p>দাম্পত্য সম্পর্ক সবসময় সহজ নয়। এখানে কোনো জাদু নেই, আছে প্রতিশ্রুতি, আত্মত্যাগ এবং সেবার মানসিকতা। যদি আপনার সম্পর্ক ভাঙনের পথে থাকে, মনে রাখুন—আশা আছে! পরিবর্তন নিজ থেকে শুরু করুন। আত্মত্যাগ করুন, সঙ্গীকে ভালোবাসুন, এবং ঈশ্বরের নীতিগুলো অনুসরণ করুন।</p><p><strong>প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোন, আত্মত্যাগ করুন এবং আপনার দাম্পত্য সম্পর্ককে একটি সুন্দর মিনিস্ট্রিতে পরিণত করুন!</strong></p><p>(ফ্রান্সিস কিশোর)</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন প্রজন্মকে নিরাপদ করার পথ</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/06/25/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%95%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 02:46:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Family and Parenting]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=6797</guid>

					<description><![CDATA[বর্তমান বিশ্বে অপরাধ, সহিংসতা এবং সাম্প্রদায়িক সংঘাত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূল কারণ—মানুষের মাঝে আশা হারিয়ে যাওয়া। যখন ব্যক্তি বা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="6797" class="elementor elementor-6797">
				<div class="elementor-element elementor-element-f7417aa e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="f7417aa" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-492ddb6 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="492ddb6" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="784" height="450" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/06/Untitled-1-1.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-6798" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/06/Untitled-1-1.jpg 784w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/06/Untitled-1-1-300x172.jpg 300w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/06/Untitled-1-1-768x441.jpg 768w" sizes="(max-width: 784px) 100vw, 784px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-2d15e49 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="2d15e49" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-73673ed elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="73673ed" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p>বর্তমান বিশ্বে অপরাধ, সহিংসতা এবং সাম্প্রদায়িক সংঘাত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূল কারণ—মানুষের মাঝে আশা হারিয়ে যাওয়া। যখন ব্যক্তি বা জাতি তাদের আশা হারিয়ে ফেলে, তখন তারা নিজেরা পথ খুঁজে নিতে চেষ্টা করে, ফলাফল বা পরিণতি বিবেচনা না করেই। আশা হল দরিদ্র ও অসহায়দের জীবনের শেষ ভরসা। খ্রীষ্টের সুসমাচারই সেই চূড়ান্ত আশা। যিশু বলেন, <em><span style="color: #ff9900;">“…তিনি আমাকে দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচারের জন্য অভিষিক্ত করেছেন…” (লূক ৪:১৮)।</span></em></p><p><strong>নতুন প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার নির্দেশনা:</strong></p><p>গীতসংহিতা ৭৮:৪-৮ আমাদের পরিষ্কারভাবে নির্দেশ দেয়, কীভাবে আমরা আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে পারি। আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে, সচেতনভাবে নতুন প্রজন্মের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা যা শিখেছি, যা আমাদের বাঁচতে এবং সফল হতে সাহায্য করেছে, তা তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।</p><p>নতুন প্রজন্মের কাছে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পৌঁছে দিতে হবে:</p><p><strong>১. ঈশ্বরের আরাধনা- প্রশংসা:</strong><br />আমাদের সন্তানদের জানাতে হবে যে, একজনই সত্য ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই আমাদের আরাধনা-প্রশংসার যোগ্য। আজকের সমাজে বহু মিথ্যা দেবতার প্রচার রয়েছে, কিন্তু আমাদের অবশ্যই সত্য ঈশ্বরকে তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। এবং অবশ্যই তা পরিবারিক পরিমণ্ডল থেকে শুরু করতে হবে।</p><p><strong>২. ঈশ্বরের শক্তি:</strong><br />আমরা ঈশ্বরের শক্তিতেই বেঁচে আছি। আধুনিক প্রযুক্তি কখনও ঈশ্বরের শক্তির বিকল্প হতে পারে না। ঈশ্বর ছাড়া আমাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। বাবা-মা তাদের জীবন দিয়ে সেই শক্তিকে তুলে ধরবেন। তাদের দৈনিক জীবন-যাত্রায় প্রতিদিন সেটিকেই প্রাধান্য দেবেন, যা সন্তানেরা দেখে শিখবে। <br /><strong>৩. ঈশ্বরের আশ্চর্য কাজ:<br /></strong><br />ঈশ্বর আজও আশ্চর্য কাজ করেন—তিনি উদ্ধার করেন, সুস্থ করেন, মুক্তি দেন, যোগান দেন এবং সময় উপযোগী আশীর্বাদ করেন। অতীতের মতো আজও তিনি একই ভাবে কাজ করেন। ইচ্ছাকৃত ভাবে সন্তানদেরকে এই অভিজ্ঞতার মধ্যে নিয়ে যেতে হবে।</p><p><strong>৪. ঈশ্বরের সাক্ষ্য:</strong><br />আমাদের জীবনে ঈশ্বরের কথা ও কাজের সাক্ষ্য তুলে ধরবে হবে। যখন ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আমরা তাঁর বাক্যের পরিপূর্ণতা দেখি, সেগুলি সাহসের সাথে জানাতে হবে। ঈশ্বরের সাক্ষ্য কখনও চেপে রাখা উচিত নয়। বাবা-মায়ের জীবনে যে সকল সাক্ষ্য ইতিমধ্যেই রয়েছে তা তাদের সন্তানদের কাছে শেয়ার করা দরকার। আশ্চর্যজনক ভাবে ক্ষমতার সাথে সেই সাক্ষ্য সন্তানদের জীবনে প্রভাব বিস্তার করবে।</p><p><strong>৫. ঈশ্বরের আদেশ:</strong><br />সৃষ্টির শুরু থেকেই ঈশ্বর আদেশ করেছেন এবং তাঁর আদেশ বা মুখের কথায় সমস্ত কিছু সৃষ্টি হয়েছে। ঈশ্বরই সমগ্র সৃষ্টির সর্বময় অধিপতি। পরিবারে ঈশ্বরের বাক্যের চর্চা থাকা দরকার। পরিবারই সেই প্রথম স্কুল যেখান থেকে সন্তানেরা ঈশ্বরের বাক্য শিখবে। তীমথিয়ের মা ও নানী তাকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ছোট বেলা থেকেই ঈশ্বরের বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন যা ঈশ্বরের মনোনীত জাতির জন্য ঈশ্বরের আদেশ ছিলো যেন তারা তাদের সন্তানদেরকে পথে চলতে, বিছানা থেকে উঠবার সময়, ঘরে বসে থাকবার সময় (অন্য ভাষায় সব সময়) ঈশ্বরের বাক্য শিক্ষা দেয়।</p><p><span style="color: #ff0000;"><strong>তবে সতর্কতা হলো:</strong></span><br />বাইবেলের এই অংশ আমাদের সতর্ক করে দেয়—যদি আমরা এই বিষয়গুলো আমাদের সন্তানদের কাছে গোপন রাখি, তাহলে আমরা এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করব যারা নিরাশ, যারা জানবে না ঈশ্বর আছেন, ঈশ্বর কাজ করেন এবং তারা এক বিদ্রোহী, বিভ্রান্ত ও অন্ধকারচিত্তের প্রজন্ম হয়ে উঠবে। আজকের সমাজের অবস্থা অনেকটাই এ রকম। আর এটি শুরু করতে হবে ঘর থেকে।</p><p><strong>সমাধান ও আহ্বান:</strong><br />পরিত্রাণ আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর। যতক্ষণ কেউ শ্বাস নিচ্ছে, ততক্ষণ কেউই সেই পরিত্রাণের বাইরে নয়। ঈশ্বর আমাদের এখনও সময় দিয়েছেন এবং আমাদের হাতে দিয়েছেন সমাধান: যীশু খ্রীষ্টের সুসমাচার।</p><p>আসুন, আমরা আজই শুরু করি—আমাদের জীবন, আমাদের সাক্ষ্য, আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি প্রজন্মকে বদলে দিই। নতুন প্রজন্মকে নিরাপদ করি।</p><p>(ফ্রান্সিস কিশোর)</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে দায়িত্ব মণ্ডলীর, তা যদি বাইরের কেউ গ্রহণ করে, তাহলে কী হয়?</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/05/22/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 May 2025 05:02:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Sermon]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=5806</guid>

					<description><![CDATA[যে দায়িত্ব মণ্ডলীর, তা যদি বাইরের কেউ গ্রহণ করে, তাহলে তা একটি গভীর নৈতিক ও আত্মিক সমস্যার জন্ম দেয়। অনেক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="5806" class="elementor elementor-5806">
				<div class="elementor-element elementor-element-ece341a e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="ece341a" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-a656987 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="a656987" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="750" height="564" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/05/church.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-5808" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/05/church.jpg 750w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/05/church-300x226.jpg 300w" sizes="(max-width: 750px) 100vw, 750px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-f389def e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="f389def" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-2169a51 elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="2169a51" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p>যে দায়িত্ব মণ্ডলীর, তা যদি বাইরের কেউ গ্রহণ করে, তাহলে তা একটি গভীর নৈতিক ও আত্মিক সমস্যার জন্ম দেয়। অনেক সময় মণ্ডলী বা দাতা সংস্থা সদিচ্ছা নিয়ে এমন কিছু দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেয়, যা আসলে তাদের নয়। যেমন, যদি মণ্ডলী পরিবারের পরিবর্তে সন্তানদের বিশ্বাসগত গঠন বা শিষ্য গড়ে তোলার দায়িত্ব নেয়, তাহলে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির—“বৈধ কর্তৃত্বের নীতি” বা <em>Jurisdictional Principle</em>—লঙ্ঘন ঘটে। এই নীতির মূল কথা হলো: ঈশ্বর যাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সেই দায়িত্ব পালনের অধিকার ও কর্তৃত্ব রয়েছে। অন্য কেউ যদি সেই দায়িত্ব, সদিচ্ছা নিয়েও, নিজের কাঁধে তুলে নেয়, তাহলে তা কর্তৃত্বের সীমালঙ্ঘন হয়ে দাঁড়ায় এবং শেষমেষ ক্ষতিই ডেকে আনে।</p><p><strong>উদাহরণস্বরূপ,</strong> অনেক সময় নতুন দম্পতির সংসারে শ্বশুরবাড়ির অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ ঘটে—সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত, স্ত্রীর জীবনযাপন বা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে অনধিকার চর্চা করে। অথচ, বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী একটি স্বাধীন ইউনিট; এই দাম্পত্য দায়িত্বে বাইরের হস্তক্ষেপ সীমিত থাকা উচিত। কিন্তু এভাবে বাইরের কর্তৃত্ব হস্তক্ষেপ করলে দম্পতির মধ্যে মতবিরোধ বাড়ে, দায়িত্বজ্ঞান হ্রাস পায়, এবং পরস্পরের প্রতি আস্থা দুর্বল হয়ে যায়।</p><p><strong>মোশি ও তার শ্বশুর যিথ্রোর পরামর্শ (যাত্রাপুস্তক ১৮:১৩–২৬)</strong></p><p>মোশি গোটা জাতির বিচারক হিসাবে একাই দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু তার শ্বশুর যিথ্রো পরামর্শ দেন, যেন মোশি যোগ্য লোকদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়ে “বৈধ কর্তৃত্বের নীতি” অনুযায়ী কর্তৃত্ব ও সীমা দেন। এককভাবে সব দায়িত্ব নেওয়া ভারসাম্য নষ্ট করে ও নেতৃত্ব দুর্বল করে।</p><p><strong>আরও একটি উদাহরণ হলো:</strong> কোনো বিদেশি মিনিষ্ট্রি বা দাতা সংস্থা যদি স্থানীয় মণ্ডলীর নেতৃত্ব বা কার্যক্রমে আধিপত্য বিস্তার করে—নির্দেশনা, পাঠ্যক্রম, কার্যক্রম, এমনকি সিদ্ধান্তগ্রহণেও প্রভাব বিস্তার করে—তবে স্থানীয় মণ্ডলী আত্মিক দিকনির্দেশ হারায় এবং ধীরে ধীরে বাইরের প্রোগ্রামের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এই নির্ভরশীলতা তাদের আত্মবিশ্বাস, প্রাসঙ্গিকতা এবং নেতৃত্ব গঠনের ক্ষমতাকে খর্ব করে।</p><p>১ম শমূয়েলে (১৩:৮-১৪) বর্ণিত শৌল রাজা ভাববাদী শমূয়েলের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই বলি প্রদান করে। যদিও বলি দেওয়া যাজকদের দায়িত্ব ছিল, তবু শৌল রাজকীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে যাজকীয় কাজ করেন। ফলে এখানে <strong>নীতি লঙ্ঘন হয়েছে-  </strong>শৌল “বৈধ কর্তৃত্বের সীমা’ লঙ্ঘন করেন—একটি দায়িত্ব যা ছিল পুরোহিতের তা নিজের কাঁধে নেন, যা ঈশ্বর তাকে দেননি।</p><p>এই বৈধ কর্তৃত্বের নীতি ভঙ্গ হলে দুটি মারাত্মক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমত, প্রকৃত উদ্দেশ্য সাধিত হয় না। বাইরের কার্যক্রম স্থানীয় চাহিদা ও সংস্কৃতি উপেক্ষা করে চাপিয়ে দিলে স্থানীয় নেতারা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম হয়ে পড়ে এবং আত্মিক নেতৃত্ব কেবল বাস্তবায়নকারী বা “middleman” হয়ে যায়। এর ফলে, সদস্যরা নিজেদের পালক বা নেতার প্রতি আস্থা হারায় এবং বাইবেলভিত্তিক আত্মিক দিকনির্দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের পথও রুদ্ধ হয়, কারণ যুব সমাজ নেতৃত্বের সাহস, দায়বদ্ধতা ও নিজস্ব কণ্ঠস্বর দেখতে পায় না। নেতাদের মনে “আমার কিছু বলার নেই” ধরনের এক নিরুৎসাহ মনোভাব জন্ম নেয়।</p><p>দ্বিতীয়ত, স্থানীয় মণ্ডলী উৎসাহ, সময় ও সম্পদ হারায়। কারণ বাইরের ধারণা বা কার্যক্রম স্থানীয় বাস্তবতা বুঝে না। এতে করে শিক্ষাপদ্ধতি ও কার্যক্রম স্থানীয় সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, প্রাসঙ্গিকতা হারায় এবং নতুন প্রজন্ম গীর্জাকে “বিদেশি ভাবনার বাহক” হিসেবে দেখে, যা তাদের বিচ্ছিন্ন করে তোলে। অনেক সময় বাইবেলীয় সত্যের জায়গায় অনুদানের শর্ত বা বাইরের মতবাদের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা বিশ্বাসের বিশুদ্ধতায় আঘাত হানে।</p><p>তাহলে প্রশ্ন হলো—যে মণ্ডলী নেতৃত্বে ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, তাদের জন্য সমাধান কী?</p><p>প্রথমত, ক্ষমতায়নমূলক অংশীদারিত্ব গঠন করতে হবে। বিনামূল্যে পাওয়ার মনোভাব বাদ দিয়ে এমন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে, যা স্থানীয় নেতাদের সম্মান করে এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমর্থন দেয়।</p><p>দ্বিতীয়ত, ছোট ছোট পদক্ষেপে আত্মনির্ভরতা গড়ে তুলতে হবে—ছোট বাজেট বা প্রকল্প হলেও মণ্ডলীর উচিত নিজস্ব প্রোগ্রাম নিজে চালানো শেখা। সদস্যদের সম্পদ, সময় ও প্রতিভা কাজে লাগাতে হবে এবং অনুদানের কার্যক্রমেও স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>তৃতীয়ত, নেতৃত্ব উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে—বাইবেলভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে Elder বা Lay Leader-দের ক্ষমতায়ন করতে হবে, যারা প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সম্মেলন ও সভাগুলোতেও স্থানীয় সংস্কৃতিজ্ঞানসম্পন্ন বক্তাদের ব্যবহার করতে হবে।</p><p><strong>উপসংহার হিসেবে বলা যায়,</strong> বিদেশি সাহায্য বা অংশীদারিত্ব নিজে খারাপ নয়। কিন্তু যখন সেই সহায়তা স্থানীয় মণ্ডলীর কর্তৃত্বকে উপেক্ষা করে বা আধিপত্য স্থাপন করে, তখন তা নেতৃত্ব, আত্মিক পরিচয় ও সাংস্কৃতিক প্রাসঙ্গিকতায় মারাত্মক ক্ষতি করে। বিশেষ করে নেতৃত্ব ও অর্থনীতিতে দুর্বল মণ্ডলীর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি। তবুও, বাইবেলভিত্তিক “বৈধ কর্তৃত্বের নীতি” অনুসরণ করে ধাপে ধাপে স্থানীয় নেতা ও মণ্ডলীকে ক্ষমতায়ন করা সম্ভব। বাইরের সাহায্য যেন সহযোগী হয়, শাসক নয়—এই দৃষ্টিভঙ্গি যদি গৃহীত হয়, তবে এমনকি দুর্বল মণ্ডলীর মধ্যেও আত্মিক পুনর্জাগরণ সম্ভব।</p><p><strong>সারকথা:</strong> ঈশ্বর যাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তিনি চান সেই ব্যক্তি নিজে তা বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করুক। যদি সে দায়িত্ব না নেয় বা অন্য কেউ এসে সেই স্থান দখল করে নেয়, তাহলে মূল কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে পরিবার, মণ্ডলী ও সমাজজীবনে ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।</p><p>বাইবেল বারবার দেখায় যে ঈশ্বর কর্তৃত্ব দেন দায়িত্ব পালনের জন্য, আধিপত্য বিস্তারের জন্য নয়। কর্তৃত্ব একটি দায়িত্বপূর্ণ আহ্বান—যা অবহেলা করা বা অন্যের কর্তৃত্বে হস্তক্ষেপ করা ঈশ্বর অপছন্দ করেন। কারণ, এটি তাঁর নির্ধারিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যায়।</p><p>এই নীতির প্রতি অবহেলা শুধু একটি ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি পরিবার, একটি মণ্ডলী এবং কখনো কখনো একটি জাতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে।</p><p>তাই “বৈধ কর্তৃত্বের নীতি” বজায় রাখার মাধ্যমেই সম্ভব একটি আত্মনির্ভর, স্বাস্থ্যবান ও স্থায়ী মণ্ডলী বা নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলা। এটি ঈশ্বরের পরিকল্পনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে এবং আমাদের নেতৃত্বকে করে আরও বিশ্বস্ত, কার্যকর ও সম্মানজনক।</p><p>লেখকঃ ফ্রান্সিস কিশোর</p><p>ফ্রান্সিস কিশোর ২৬ বছর পূর্ণ সময় ঈশ্বরের জন্য কাজ করছেন। তিনি এ্যাসেমব্লীজ অব গড মণ্ডলী কর্তৃক স্বীকৃত একজন পালক ও চিলড্রেন ও ফ্যামিলি মিনিষ্ট্রি স্পেশালিষ্ট। বর্তমানে তিনি বিজয় মিনিষ্ট্রির পূর্ণ সময়ের পরিচালক হিসাবে কর্মরত আছেন।</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুনরুত্থানের প্রকৃত উদ্দেশ্য</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/04/17/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Apr 2025 11:54:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Sermon]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=5338</guid>

					<description><![CDATA[পুনরুত্থানের প্রকৃত উদ্দেশ্য মৃত্যু, পাপ এবং মুক্তির প্রশ্ন হলো মানবজাতির সবচেয়ে বড় এবং গভীর চিন্তা। মানুষ জীবনের ছোট-বড় সিদ্ধান্তগুলো প্রতিদিন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="5338" class="elementor elementor-5338">
				<div class="elementor-element elementor-element-29678b8 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="29678b8" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-ff01e1b elementor-widget elementor-widget-image" data-id="ff01e1b" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="640" height="360" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/360_F_296839935_0dLtsO2zqzK7MpVDHXRfSCSYo5Lii52Y.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-5340" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/360_F_296839935_0dLtsO2zqzK7MpVDHXRfSCSYo5Lii52Y.jpg 640w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/360_F_296839935_0dLtsO2zqzK7MpVDHXRfSCSYo5Lii52Y-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-7c7da40 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="7c7da40" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-9561975 elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="9561975" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p style="text-align: center;"><strong>পুনরুত্থানের প্রকৃত উদ্দেশ্য<br /><br /></strong></p><p>মৃত্যু, পাপ এবং মুক্তির প্রশ্ন হলো মানবজাতির সবচেয়ে বড় এবং গভীর চিন্তা। মানুষ জীবনের ছোট-বড় সিদ্ধান্তগুলো প্রতিদিন নেয়, কিন্তু এমন কিছু সিদ্ধান্ত রয়েছে যেগুলো শুধু আমাদের জীবনের বর্তমানকেই নয়, ভবিষ্যতকেও প্রভাবিত করে। যীশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়। এটি শুধু বিশ্বাসের বিষয় নয়, এটি সত্যের ভেতর থেকে আসা একটি নতুন পথের সংকেত।</p><p>যীশুর পুনরুত্থান কেবল একটি অলৌকিক ঘটনা বা ঐতিহাসিক বিস্ময় নয়। বাইবেল আমাদের দেখায়, এটি আসলে মৃত্যু, পাপ, বিচার, প্রেম এবং মুক্তি গাঁথা। আজ জানবো, কেন যীশুর পুনরুত্থান কেবল একটি অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং আমাদের জীবনের মূল উদ্দেশ্যকে পরিবর্তন করে।</p><p><strong>মৃত্যুর উৎস ও তার শক্তি</strong></p><p>মৃত্যু একটি অবশ্যম্ভাবী সত্য। এটি মানব জাতির অভিশাপের মতো সবসময় উপস্থিত। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে—মৃত্যু এলো কোথা থেকে? কে এটি তৈরি করেছিল?</p><p>বাইবেল বলে, মৃত্যু ঈশ্বরের সৃষ্টিই। প্রথম মানব আদমকে ঈশ্বর বলেছিলেন, <em>“যেদিন তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাবে, সেদিনই তুমি মরবে।”</em> এটি একটি সতর্ক সংকেত ছিল, যেখানে মৃত্যু ছিল পাপের ফল। ঈশ্বরের সৃষ্ট মৃত্যু কোনো শয়তানের পরিকল্পনা ছিল না, বরং পাপের মাধ্যমে এটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। পাপ মৃত্যু আনতে শুরু করে। ১ করিন্থীয় ১৫:৫৬ বলছে, “মৃত্যুর হুল হল পাপ, এবং পাপের শক্তি হল ব্যবস্থা বা শরিয়ত।”</p><p><strong>পাপ, বিচার এবং ঈশ্বরের ন্যায়পরায়ণতা</strong></p><p>পাপ হচ্ছে ঈশ্বরের আইন ভঙ্গ করা, যা মানুষের আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মানকে নষ্ট করে দেয়। ঈশ্বর প্রেমময় হলেও, তিনি ন্যায়পরায়ণ বিচারক। যে কোনও অপরাধের জন্য বিচার প্রয়োজন। ঈশ্বর কোনো অপরাধীকে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা করতে পারেন না, কারণ তিনি ন্যায়পরায়ণ।</p><p>এখন প্রশ্ন উঠে, এই বিচারের ভার কে নেবে? ঈশ্বর কি পাপীদের জন্য কোনো সমাধান দিতে পারেন না? কিন্তু ঈশ্বর সেই সমাধান নিজেই প্রদান করেন। তিনি মানুষ হয়ে আসেন এবং পাপীর জায়গায় দাঁড়িয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ইব্রীয় ২:১৪-১৫ বলে, “তিনিও একইভাবে সেই অংশগ্রহণ করলেন, যেন মৃত্যুর মাধ্যমে তিনি ধ্বংস করেন তাকে যার হাতে মৃত্যু ছিল, অর্থাৎ শয়তানকে।”</p><p><strong>যীশুর মৃত্যু ও পুনরুত্থান: পরিত্রাণের একমাত্র পথ</strong></p><p>যীশুর মৃত্যু কেবল একজন শহীদের আত্মত্যাগ নয়, এটি ছিল ঈশ্বরের পরিকল্পিত আত্মসমর্পণ। যীশু পাপী ছিলেন না, কিন্তু পাপীর জায়গায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এভাবে তিনি মৃত্যু ও পাপ, উভয়ের বিচার করেন।</p><p>যেহেতু যীশুর মধ্যে কোনো পাপ ছিল না, মৃত্যু তার উপর কোনো অধিকার রাখেনি। মৃত্যু তাকে ছুঁতে পারলেও তাকে আটকে রাখতে পারেনি। এজন্যই, যীশুর পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী ছিল—এটি কেবল একটি অলৌকিক পুনরুজ্জীবন নয়, বরং এটি ছিল পাপ এবং মৃত্যুর উপর চূড়ান্ত বিজয়।</p><p><strong>শয়তানের পরিকল্পনা এবং ঈশ্বরের প্রতিউত্তর</strong></p><p>শয়তান জানত, মানুষ পাপ করলে মৃত্যু তার ওপর শাসন করবে। তাই সে আদম ও হাওয়াকে প্রলুব্ধ করে। কিন্তু ঈশ্বর এই চক্রান্ত জানতেন এবং তার বিপরীতে একটি বড় পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি নিজেই মানুষের রূপ ধারণ করেন এবং মৃত্যুর সম্মুখীন হন—কিন্তু পাপহীনভাবে। এই নিঃপাপ আত্মবলিদানের মাধ্যমে শয়তানের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।</p><p><strong>আমার নিজের অভিজ্ঞতা</strong></p><p>একবার আমার বাবা প্রশ্ন করেছিলেন, “ঈশ্বর কেন নিজে দুঃখ ভোগ করলেন? তিনি কি অন্যভাবে আমাদের পাপ মাফ করতে পারতেন না?” আমি তখন তাঁকে বলেছিলাম, “তুমি যদি একজন বিচারক হও, তবে বিচার ছাড়াই কিভাবে তুমি অপরাধীকে মাফ করে দাও? তাহলে তুমি আর ন্যায়পরায়ণ থাকবেন না।”</p><p>তখন তিনি বলেছিলেন, “অতএব, ঈশ্বর নিজেই আমাদের পাপের বিচার নিলেন।” আমি বললাম, “ঠিক তাই।”</p><p><strong>উপসংহার</strong></p><p>যীশুর পুনরুত্থান শুধুমাত্র একটি অলৌকিক ঘটনা নয়—এটি ঈশ্বরের প্রেম, বিচার এবং পরিত্রাণের একটি পরিকল্পনার পরিপূর্ণ বাস্তবতা। মৃত্যু আর পাপের শক্তি চিরতরে ভেঙে গেছে। যীশুকে বিশ্বাসী কোনো মানুষ আর মৃত্যু বা পাপের কাছে পরাজিত হবে না, বরং তাকে নতুন জীবনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।</p><p style="text-align: center;"><strong>পুনরুত্থান আমাদের বিশ্বাসের ভিত্তি, জীবনের শক্তি, এবং ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।</strong></p><p>লেখকঃ ফ্রান্সিস কিশোর</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে যন্ত্রণা আমাদের মুক্তি নিয়ে আসে</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/04/17/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Apr 2025 09:25:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Sermon]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=5315</guid>

					<description><![CDATA[যে যন্ত্রণা আমাদের মুক্তি নিয়ে আসে মথি ২৭:৩৯–৪৬ ভূমিকা যীশু যখন ক্রুশের উপর ছিলেন, তখন তিনি শুধু কষ্ট সহ্য করেননি—তিনি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="5315" class="elementor elementor-5315">
				<div class="elementor-element elementor-element-a366092 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="a366092" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-06afc6a elementor-widget elementor-widget-image" data-id="06afc6a" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="750" height="564" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/GettyImages-1208519899-copy.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-5317" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/GettyImages-1208519899-copy.jpg 750w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/GettyImages-1208519899-copy-300x226.jpg 300w" sizes="(max-width: 750px) 100vw, 750px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-bc3e2be e-con-full e-flex e-con e-parent" data-id="bc3e2be" data-element_type="container" data-e-type="container">
				<div class="elementor-element elementor-element-7aaaaec elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="7aaaaec" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p style="text-align: center;"><strong>যে যন্ত্রণা আমাদের মুক্তি নিয়ে আসে</strong></p><p><em>মথি ২৭:৩৯–৪৬</em></p><p><strong><u>ভূমিকা</u></strong></p><p>যীশু যখন ক্রুশের উপর ছিলেন, তখন তিনি শুধু কষ্ট সহ্য করেননি—<span style="color: #ff0000;"><strong>তিনি ঈশ্বরের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন।</strong></span><br />তাঁর চতুর্থ বাণীটি ছিল এমন..</p><p style="text-align: center;"><strong>চতুর্থ বাণী</strong>:<br /><em>“আমার ঈশ্বর, আমার ঈশ্বর, কেন তুমি আমাকে পরিত্যাগ করলে?”</em> (মথি ২৭:৪৬)<br /><em>এই কথাগুলো তাঁর যন্ত্রণার গভীরতা ও আমাদের পরিত্রাণের মূল্য দেখায়।</em></p><p style="text-align: center;">এই বাণীটির মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি—যীশুর বিছিন্ন হওয়ার যন্ত্রণার অভিজ্ঞার মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠলাম।</p><p><strong>চতুর্থ বাণী – যন্ত্রণা মুক্তি নিয়ে আসে </strong><em>(মথি ২৭:৪৫–৪৬)</em></p><p><strong>১. পরিত্যক্ত হওয়ার আর্তনাদ/ক্রন্দন</strong></p><p><em>“আমার ঈশ্বর, আমার ঈশ্বর, কেন তুমি আমাকে পরিত্যাগ করলে?”</em></p><ul><li>এই ভয়াবহ আত্ম-চিৎকার যীশু করেছিলেন <strong>তিন ঘণ্টার অন্ধকারের পর</strong>—যেটা বাইবেল অনুযায়ী ঈশ্বরের বিচারের প্রতীক<ul><li><em>যেমন: যাত্রা ১০:২২ ‘মোশী আকাশের দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন, আর তাতে তিন দিন পযন্ত অন্ধকার হয়ে থাকলো।’</em></li></ul></li><li>যীশু শুধু শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন না—তাঁকে আত্মিকভাবে পিতার কাছ থেকে বিছিন্নও হতে হয়েছিল। এটা যন্ত্রণার!</li></ul><p style="text-align: center;"><em>গালাতীয় ৩:১৩ — “যাকে গাছে টাঙ্গানো হয়, সে অভিশপ্ত।”</em></p><ul><li>এই মুহূর্তেই যীশু পাপের সমস্ত অভিশাপ নিজের উপর বহন করলেন। তিনি, যিনি নিস্পাপ, আমাদের জন্য পাপরূপে পরিণত হলেন (২ করিন্থীয় ৫:২১)।</li></ul><p><strong>এইটাই আসল নরক</strong> – ঈশ্বর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতা।</p><p><strong>২. কেন ঈশ্বর তাঁকে ছেড়ে গেলেন?</strong></p><p><em>“আমাদের সবার অপরাধ তাঁর ওপর চাপানো হলো।”</em> – যিশাইয় ৫৩:৬<br /><em>“যিনি কোনো পাপ করেননি, তাঁকে আমাদের জন্য পাপী হিসাবে গণ্য করা হলো।”</em> – ২ করি ৫:২১</p><ul><li>যীশু আমাদের অপরাধ নিজের কাঁধে নিলেন, যাতে আমরা মুক্তি পাই।</li><li>এটি শুধুমাত্র শারীরিক যন্ত্রণা ছিল না—এটি ছিল ঈশ্বর কর্তৃক সম্পূর্ণ পরিত্যাগের ভয়ংকর যন্ত্রণা। এটাই আসল নরক—আগুন বা অন্ধকার নয়, বরং ঈশ্বর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতা।</li></ul><p><strong>মানব জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি মৃত্যু নয়—ঈশ্বরবিহীন জীবন।</strong></p><ul><li>যীশু সেই বিচ্ছিন্নতাকে নিজের ওপর নিয়েছিলেন, যাতে আমাদের কখনো সেটি অনুভব করতে না হয়। তাঁকে পরিত্যক্ত হতে হয়েছিল, যাতে আমরা চিরদিন তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য হই।</li></ul><p><em>ইব্রীয় ১৩:৫ — “আমি তোমাকে কখনো ছাড়বো না, আমি তোমাকে কখনো পরিত্যাগ করবো না।”</em></p><ul><li>যীশু আপনার জন্য যন্ত্রণা সহ্য করেছেন—আপনি আর নিজের অপরাধ বয়ে বেড়াবেন না।</li><li>আপনি যদি কখনো ঈশ্বর থেকে দূরে মনে করেন—যীশু আপনার সেই যন্ত্রণা বুঝতে পারেন।</li></ul><p><span style="color: #ff0000;"><strong><u>উপসংহার: </u></strong></span></p><p><strong>ক্রুশ – যেখানে ভালোবাসা ও ন্যায়বিচার একত্রিত হয়েছে। </strong></p><ul><li>ক্রুশ আমাদের শুধুমাত্র রক্ষা করেনি—<strong>আমাদের নতুন করে গড়ে তুলেছে।</strong></li><li>তিনি আমাদের জন্য ঈশ্বর থেকে বিচ্ছিন্ন হলেন, যেন আমরা যুক্ত হই।</li></ul><p><strong> </strong></p><p>লেখকঃ ফ্রান্সিস কিশোর</p>								</div>
				</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে ভালোবাসা আমাদেরকে যুক্ত করে</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/04/17/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Apr 2025 07:10:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Sermon]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=5295</guid>

					<description><![CDATA[যে ভালোবাসা আমাদেরকে যুক্ত করেযোহন  ১৯:২৫–২৭ ভূমিকা যীশু যখন ক্রুশের উপর ছিলেন, তখন তিনি শুধু কষ্ট সহ্য করেননি—তিনি ঈশ্বরের হৃদয়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="5295" class="elementor elementor-5295">
				<div class="elementor-element elementor-element-5e6944c e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="5e6944c" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-4a934e5 elementor-widget elementor-widget-image" data-id="4a934e5" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="698" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/61OPphStDxL-copy-1-1024x698.jpg" class="attachment-large size-large wp-image-5303" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/61OPphStDxL-copy-1-1024x698.jpg 1024w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/61OPphStDxL-copy-1-300x204.jpg 300w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/61OPphStDxL-copy-1-768x523.jpg 768w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/04/61OPphStDxL-copy-1.jpg 1468w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-0cf7641 e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="0cf7641" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-ac36fbd elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="ac36fbd" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p style="text-align: center;"><strong>যে ভালোবাসা আমাদেরকে যুক্ত করে<br /></strong><em>যোহন  ১৯:২৫–২৭</em></p><p style="text-align: left;"><span style="color: #ff0000;"><strong><u>ভূমিকা</u></strong></span></p><p style="text-align: center;"><em>যীশু যখন ক্রুশের উপর ছিলেন, তখন তিনি শুধু কষ্ট সহ্য করেননি—<span style="color: #ff0000;"><strong>তিনি ঈশ্বরের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন।</strong></span></em><br /><em>তিনি যেসব কথা বলেছিলেন, তৃতীয় বাণীটি আমার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।</em></p><p style="text-align: center;"><strong>তৃতীয় বাণী</strong>:<br /><em>“হে নারী, দেখো তোমার ছেলে&#8230; ছেলে, দেখো তোমার মা।”</em> (যোহন ১৯:২৬–২৭)<br /><em>এটি দেখায়, যীশু কতটা অন্যদের যত্ন করতেন, এমনকি তাঁর সবচেয়ে কষ্টের সময়েও।</em></p><p style="text-align: center;">এই বাণীটির মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি—যীশু আমাদেরকে <strong>একটি নতুন পরিবার ও সমাজে</strong> একত্রিত করেছেন।</p><p style="text-align: left;"><strong> </strong></p><p><strong>তৃতীয় বাণী – যে ভালোবাসা আমাদেরকে যুক্ত রাখে </strong><em>(যোহন ১৯:২৫–২৭)</em><strong style="font-style: inherit; text-align: center;"> </strong></p><ol><li><strong style="font-style: inherit; text-align: center;">যন্ত্রণার মধ্যেও ভালোবাসা</strong></li></ol><p style="text-align: left;">যীশু কীভাবে কষ্ট সহ্য করেছিলেন তা একবার ভাবুন—</p><ul style="text-align: left;"><li>যীশুর মমতা আমাদেরকে মুগ্ধ করার আগে, আমাদের বোঝা দরকার তিনি কী ভয়ংকর শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক কষ্ট সহ্য করেছিলেন।</li></ul><p style="text-align: left;">১৯৮৬ সালে আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন একটি গবেষণা প্রকাশ করে যার নাম ছিল “The Physical Death of Jesus Christ” (যীশুর শারীরিক মৃত্যু)। এতে ইতিহাস, চিকিৎসা ও বাইবেলের তথ্য একত্রিত করে তাঁর মৃত্যু বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে যা বলা হয়েছে:</p><ul><li style="list-style-type: none;"><ul style="text-align: left;"><li>লূক ২২ অধ্যায়ে লেখা আছে, যীশুর ঘাম রক্তের ফোটা হিসাবে ঝরেছিল। এটি একটি বিরল শারীরিক অবস্থা, যাকে বলে <strong>হেমাটিড্রোসিস</strong>।</li></ul></li></ul><ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li>এটি ঘটে অতিরিক্ত মানসিক চাপে, যখন শরীরের ছোট রক্তনালীগুলো ফেটে গিয়ে ঘামের সঙ্গে রক্ত মিশে যায়। <span style="color: #ff0000;">এটি প্রমাণ করে ক্রুশের আগেই যীশু কতটা মানসিক চাপে ছিলেন।</span></li></ul></li></ul></li></ul><ul style="text-align: left;"><li>যীশুকে ধরার পর বিচারের নামে তাকে নির্মম যন্ত্রণা দেওয়া হয়েছে, সেই রাতে বেশ কয়েক কিলোমিটার তাঁকে হাটানো হয়েছে</li><li>তাঁকে খুব ভয়ংকরভাবে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল:<ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li>লোহার বল ও ধারালো হাড়যুক্ত বেত দিয়ে পিঠে মারলে তাঁর চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে খসে খসে পড়েছে।</li><li>রক্তনালী, পেশি এমনকি ভিতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গও দেখা যাচ্ছিল।</li><li>সাধারণত এত মার খেয়ে কেউ টিকতে পারে না।</li></ul></li></ul></li><li>যীশুকে এতটাই মারধর করা হয়েছিল যে, যিশাইয় ৫২:১৪ বলেছে, “<span style="color: #ff0000;">তাঁর চেহারা এমনভাবে বিকৃত হয়েছিল যে, কোনো মানুষের মতো আর তাঁকে মনে হয়নি।”</span></li><li>তাঁর মাথায় ২-৩ ইঞ্চি লম্বা কাঁটার মুকুট ঠেসে পরানো হয়েছিল, যা মাথার গভীরে গিয়ে প্রচণ্ড যন্ত্রণা তৈরি করেছিল।</li><li>এত কিছুর পরেও, তাঁকে নিজেই তাঁর ক্রুশ বহন করতে বলা হয়েছিল, যতক্ষণ না তিনি রাস্তার মাঝখানে পড়ে যান।</li><li>ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্টতম ও যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুদণ্ডঃ<ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li>তাঁর হাত ও পায়ে প্রায় ৮ ইঞ্চি লম্বা পেরেক মারা হয়।</li><li>এই পেরেকগুলো নার্ভ ভেদ করে তীব্র ব্যথা ছড়িয়ে দেয় সারা শরীরে।</li><li>নিঃশ্বাস নিতে হলে যীশুকে পায়ের উপর ভর দিয়ে উপরে উঠতে হতো, তখন তাঁর ছিঁড়ে যাওয়া পিঠ কর্কশ কাঠে ঘষা খেত।</li></ul></li></ul></li><li><strong>মৃত্যুর পর এক রোমীয় সৈন্য তাঁর পাঁজরে বর্শা ঢুকায়:</strong><ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li>তখন রক্ত ও পানি সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, এটি <strong>পারিকার্ডিয়াল ও প্লুরাল ইফিউশন</strong>—যা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ থেকে হার্ট ফেইলর হয়ে থাকার চিহ্ন।</li></ul></li></ul></li></ul><p style="text-align: left;"><span style="color: #ff0000;"><strong>তাহলে প্রশ্ন হলো, এত কষ্টের মাঝেও যীশু কী করলেন?</strong></span></p><p style="text-align: left;"><strong>এই ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার মধ্যে যীশু </strong>ক্রুশে ঝুলছিলেন, সেই চরম কষ্টের মধ্যেও তিনি এক অসাধারণ দৃশ্য তৈরি করলেন—তাঁর চোখে পড়ল, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর মা মরিয়ম এবং প্রিয় শিষ্য যোহন। তিনি তাঁর <strong>নিজের মায়ের খেয়াল রাখলেন। বললেন…</strong></p><p style="text-align: left;"><span style="color: #ff0000;"><strong><em>“হে নারী, এই তোমার ছেলে। ছেলে, আর এই তোমার মা।”</em></strong></span></p><p style="text-align: left;"><strong>ক্রুশের যন্ত্রণার মধ্যে নজীর বিহীন ভালোবাসা</strong></p><ul style="text-align: left;"><li>যন্ত্রণার মাঝেও যীশুর মন পড়ে রইল তাঁর মায়ের প্রতি।</li><li>শারীরিক কষ্ট তাঁকে থামাতে পারেনি। তিনি ভাবলেন, মায়ের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও সঙ্গ কে দেবে? তখনই তিনি মরিয়মকে যোহনের জিম্মায় দিলেন, যেন যোহন তাঁর সন্তানের মতো মায়ের যত্ন নেন।</li><li>বাইবেল পণ্ডিতরা মনে করেন, সেই সময়ে যোসেফ <em>(যীশুর পালিত পিতা)</em> আর জীবিত ছিলেন না। ইহুদি রীতি অনুযায়ী, পরিবারের বড় ছেলে বিধবা মায়ের দায়িত্ব নিত। যীশু সেই রীতিই পালন করলেন, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্তও দায়িত্বশীল পুত্র হয়ে তিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।</li></ul><p style="text-align: left;"><strong>এখানে দেখা যায়—<br />          </strong>যন্ত্রণার মাঝেও যীশুর ভালোবাসা ছিল নিঃস্বার্থ, লক্ষ্য ছিল তাঁর মায়ের নিরাপত্তা।</p><p style="text-align: left;"><strong>এই ঘটনা আমাদের শেখায়:</strong></p><ul style="text-align: left;"><li>আসল পরিবার শুধু রক্তের নয়, বিশ্বাসেরও হয়।</li><li>আমরা যখন যন্ত্রণায় থাকি, তখনও অন্যের মঙ্গল চিন্তা করা সম্ভব—এবং সেটাই খ্রীষ্টিয় ভালোবাসার প্রকৃত চিত্র।</li></ul><ol style="text-align: left;" start="2"><li><strong> কেন তিনি ভাইদের দায়িত্ব দিলেন না?</strong></li></ol><ul style="text-align: left;"><li>যীশুর সৎ ভায়েরা তখনও বিশ্বাসী ছিলেন না (যোহন ৭:৫)</li><li>যোহন, প্রিয় শিষ্য, তখন ক্রুশের পাশে ছিলেন।<br />যীশু এমন একজনের হাতে মাকে তুলে দিলেন, যার সাথে যীশুর সম্পর্ক ছিল আত্মিক/<strong>বিশ্বাসের</strong>, রক্তের সম্পর্ক নয়।</li></ul><p style="text-align: left;"><em>এখানে প্রশ্ন হচ্ছে…</em></p><p style="text-align: left;"><strong>৩. “হে নারী” বলাটা কি মায়ের প্রতি অসম্মান ছিল না?</strong></p><ul style="text-align: left;"><li>যীশু যখন তাঁর মাকে “নারী” বলে সম্বোধন করেন, সেখানে কোনো অবমাননা বা অসম্মান ছিল না। বরং “নারী” (Woman) শব্দটি তখনকার কালে সম্মানের সাথে ব্যবহৃত হতো। যীশু কান্না নগরে বিয়ের অনুষ্ঠানেও মাকে “হে নারী” বলেছিলেন (যোহন ২:৪)।<ul><li>মূল গ্রিক ভাষায় “নারী” শব্দটি ছিল অত্যন্ত সম্মানসূচক ও আন্তরিকতাপূর্ণ একটি শব্দ।<ul><li><span style="color: #ff9900;"><em>অ্যাম্পলিফায়েড বাইবেল এটি অনুবাদ করেছে “[প্রিয়] নারী” হিসেবে।</em></span></li></ul></li></ul></li></ul><ul style="text-align: left;"><li>যীশু যখন বললেন, “হে নারী, এই তোমার পুত্র,” তিনি মূলত মরিয়মকে আহ্বান করলেন যেন তিনি যোহনকে এখন নিজের পুত্রের মতো গ্রহণ করেন।<ul><li>যীশু শারীরিকভাবে তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছিলেন, কিন্তু যোহন যেন সেই স্থানটি পূরণ করে, সেই দায়িত্বই তিনি তাঁকে দিলেন।</li></ul></li></ul><p style="text-align: left;"><strong>৪. নতুন পরিবার, নতুন কমিউনিটি</strong></p><p style="text-align: left;"><em>“এরপর থেকে সেই শিষ্য (যোহন) মাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।”</em> (যোহন ১৯:২৭)</p><p style="text-align: left;">এখানে শুধু তিনি তার মায়ের জন্য দায়িত্ব পালন করেন নি বরং তার পেছনে রয়েছে এক গভীর প্রতীকী এবং আত্মিক অর্থ— <span style="color: #ff9900;">এটি শুধু পারিবারিক দায়িত্ব পালন করার বিষয় নয়—এটি একটি নতুন আত্মিক পরিবারের জন্ম দেওয়ার মুহূর্ত।</span></p><p style="text-align: left;"><em>“যাঁরা তাঁকে গ্রহণ করলেন, তিনি তাঁদের ঈশ্বরের পরিবারে অন্তর্ভুক্ত হবার অধিকার দেন।”</em> – যোহন ১:১২</p><ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li style="list-style-type: none;"><ul><li><ul><li><em>যীশু </em><strong>ক্রুশে যখন মারা যাচ্ছেন, তখনই নতুন এক বিশ্বাসের পরিবার শুরু হচ্ছে।</strong><ul><li>এই পরিবার তৈরি হয়েছে বিশ্বাসে, ভালোবাসায়, ও দায়িত্বে। আত্মিক পরিবার<ul><li>ক্রুশের পাদদেশে একটি নতুন পরিবার</li></ul></li><li>এই ক্রুশেই জন্ম নিল মণ্ডলী—বিশ্বাসীদের পরিবার।<ul><li>এখন থেকে ঈশ্বরের লোকেরা আর শুধু রক্তের সম্পর্কে নয়, খ্রীষ্টে বিশ্বাসের দ্বারা পরিচিত হবেন।</li><li>যীশুর রক্তশ্রোতে গড়ে উঠলো এক নতুন আত্মিক পরিবার।</li></ul></li><li>যীশু তাঁর গভীর যন্ত্রণার মাঝেও আমাদের শিখিয়েছেন—আমরা যেন একে অপরের যত্ন নিই।<br />ক্রুশ কেবল পরিত্রাণের প্রতীক নয়—<br />এটি বিশ্বাসের একটি নতুন পরিবার গঠনের স্থান, যার শিকড় ভালোবাসা ও দায়িত্বে গাঁথা।</li></ul></li></ul><p>গালাতীয় ৬:১০ — “&#8230;আমরা যেন সবাইকে উপকার করি, বিশেষ করে যারা বিশ্বাসী পরিবারের সদস্য।”</p><ul><li>আমরা কি আমাদের চার্চ বা বিশ্বাসীদেরকে সত্যিকার পরিবার মনে করি?</li><li>আজ আমাদের চারপাশে এমন কে আছেন যার ভালোবাসা বা সাহায্য দরকার?</li></ul><p> </p><p><strong><u>উপসংহার: </u></strong></p><p><strong>ক্রুশ – যেখানে ভালোবাসা ও ন্যায়বিচার একত্রিত হয়েছে। </strong></p><ul><li>যীশু একটি নতুন পরিবার ও সামাজ তৈরি করলেন যা আমাদের রক্তের সম্পর্কে নয় বরং বিশ্বাসের দ্বারা স্থাপিত। আত্মিক পরিবার</li><li><strong>তাঁর মৃত্যুতে একটি নতুন সমাজ/কমিউনিটি শুরু হলো<br /></strong>—যেখানে আমরা ঈশ্বরের সন্তান, এবং একে অপরের ভাই-বোন।</li></ul></li></ul></li></ul></li></ul><p style="text-align: left;">লেখকঃ ফ্রান্সিস কিশোর</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশু পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব</title>
		<link>https://bijoyministriesintl.org/2025/03/20/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Bijoy Ministries]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Mar 2025 10:36:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Children's Ministry]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bijoyministriesintl.org/?p=4515</guid>

					<description><![CDATA[শিশু পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব: ঈশ্বরের রাজ্যে শিশুদের ভূমিকা বাইবেল অনুযায়ী, যীশু তাঁর শিক্ষা ও কাজের মাধ্যমে শিশুদের প্রতি গভীর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[		<div data-elementor-type="wp-post" data-elementor-id="4515" class="elementor elementor-4515">
				<div class="elementor-element elementor-element-b5d93ef e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="b5d93ef" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-343378a elementor-widget elementor-widget-image" data-id="343378a" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="image.default">
				<div class="elementor-widget-container">
															<img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="512" src="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-1024x512.webp" class="attachment-large size-large wp-image-4520" alt="" srcset="https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-1024x512.webp 1024w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-300x150.webp 300w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-768x384.webp 768w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-1536x768.webp 1536w, https://bijoyministriesintl.org/wp-content/uploads/2025/03/GettingStartedinCM1Slider7112017-copy-scaled.webp 1920w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" />															</div>
				</div>
					</div>
				</div>
		<div class="elementor-element elementor-element-3f003fb e-flex e-con-boxed e-con e-parent" data-id="3f003fb" data-element_type="container" data-e-type="container">
					<div class="e-con-inner">
				<div class="elementor-element elementor-element-d77683c elementor-widget elementor-widget-text-editor" data-id="d77683c" data-element_type="widget" data-e-type="widget" data-widget_type="text-editor.default">
				<div class="elementor-widget-container">
									<p><strong>শিশু </strong><strong>পরিচর্যার </strong><strong>প্রয়োজনীয়তা </strong><strong>ও </strong><strong>গুরুত্ব: </strong><strong>ঈশ্বরের </strong><strong>রাজ্যে </strong><strong>শিশুদের </strong><strong>ভূমিকা</strong></p><p>বাইবেল অনুযায়ী, যীশু তাঁর শিক্ষা ও কাজের মাধ্যমে শিশুদের প্রতি গভীর মনোযোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। আজকের আলোচনায় আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে বোঝার চেষ্টা করবো।</p><p><strong>১. </strong><strong>ঈশ্বরের </strong><strong>রাজ্যে </strong><strong>শিশুদের </strong><strong>গুরুত্বপূর্ণ </strong><strong>ভূমিকা</strong></p><p>মথি ১৯:১৩-১৫, মার্ক ১০:১৩-১৬-এ আমরা দেখতে পাই, শিশুরা ঈশ্বরের রাজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যীশু তাঁর শিষ্যদের শেখান, শিশুরা ঈশ্বরের রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তাঁদের বিশ্বাস ও নম্রতা আমাদের জন্য আদর্শ। যীশু অনেকটা বিরক্ত হয়েই শিষ্যদেরকে আদেশ করেছিলেন, “শিশুদেরকে আমার কাছে আসতে দাও, বাধা দিও না; কারণ ঈশ্বরের রাজ্য এই মত লোকদেরই।”</p><p>এতে স্পষ্ট যে, শিশুরা শুধুমাত্র ঈশ্বরের কাছে আসার জন্য অনুমোদিত তা-ই নয় বরং তাঁদের আস্থা, বিশ্বাস ও নম্রতা আমাদের জীবনের জন্য আদর্শ। তাঁদের প্রতি ঈশ্বরের ভালোবাসা এবং পরিচর্যা অত্যন্ত জরুরি।</p><p><strong>২. </strong><strong>শিশুদের </strong><strong>পরিচর্যা </strong><strong>ও </strong><strong>সুরক্ষা</strong></p><p>ঈশ্বর শিশুদের প্রতি দয়া ও সুরক্ষার কথা বলেছেন। গীত ৬৮:৫-এ বলা হয়েছে, “ঈশ্বর দূর্বলদের পক্ষ নেন।” শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। যখন শিশুরা অবহেলিত বা নির্যাতিত হয়, তখন ঈশ্বর দুঃখিত হন এবং তিনি আমাদের তাদের জন্য কথা বলতে ও তাদের রক্ষা করতে নির্দেশ দেন (মথি ১৮:৫-৬)।</p><p>আজকের সমাজেও, অনেক শিশু শারীরিক, মানসিক বা সামাজিকভাবে নির্যাতিত হয়। আমাদের ঈশ্বরের আদর্শ অনুসরণ করে তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে। শুধুমাত্র আমার সন্তান নয়, বরং মণ্ডলী ও আমাদের সমাজের প্রতিটি শিশুই এক একটি মূল্যবান উপহার, তাদেরকে সঠিক শিক্ষা ও সহানুভূতির সাথে যত্ম করা এবং পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা উচিত।</p><p><strong>৩. </strong><strong>শিশুদের </strong><strong>শিক্ষা </strong><strong>ও </strong><strong>মিশন</strong></p><p>ঈশ্বর শিশুদেরকে শুধুমাত্র অনুসরণকারী হিসেবে নয়, বরং নেতা হবার জন্যও বেছে নেন। শিশুরা শুধুমাত্র ছোট নয়, বরং তারা ঈশ্বরের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। বাইবেলে যেমন ইসাহাক, মোশী, শমূয়েল, দাউদ, এবং অন্য অনেক শিশুদের জীবনকে সামনে এনে দেখানো হয়েছে, আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হবে তাদের শিক্ষা ও সুরক্ষার ওপর। তারাও ঈশ্বরের মিশনের অংশ।</p><p>মথি ১৮:৪-এ যীশু বলেছেন, &#8220;যে কেউ এই শিশুর মতো নিজেকে নম্র করে, সে স্বর্গরাজ্যে শ্রেষ্ঠ।&#8221; শিশুরা নম্রতা, বিশুদ্ধ বিশ্বাস এবং নিঃশর্ত ভালোবাসার উদাহরণ, এবং আমাদের তাদের যত্ন নিতে হবে এমনভাবে যাতে তারা তাদের জীবনে ঈশ্বরের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে।</p><p><strong>৪. </strong><strong>শিশুদের </strong><strong>উন্নতি </strong><strong>ও </strong><strong>ঈশ্বরের </strong><strong>উদ্দেশ্য</strong></p><p>হিতোপদেশ ২২:৬ পদে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, &#8220;শিশুকে তার গন্তব্য পথ অনুযায়ী শিক্ষা দাও, বৃদ্ধ হলে সে তা থেকে সরে যাবে না।&#8221; আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা ঈশ্বরের পথ সম্পর্কে শিখছে ও তা বুঝতে এবং অভিজ্ঞতা লাভ করছে করতে করতে বড় হচ্ছে, যাতে তারা তাঁর রাজ্যে তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে। যদি আমরা তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে তারা ঈশ্বরের পরিকল্পনা অনুযায়ী পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারবে না।</p><p> </p><p>আমাদের মনে রাখতে হবে যে শয়তান আজ শিশুদের জীবন বিকৃত করার চেষ্টা করছে। বাইবেল যেমন সতর্ক করে, বর্তমান প্রজন্মের সম্ভাবনা ধ্বংস হতে পারে যদি আমরা তাদের ঈশ্বরের পথে লালন-পালন না করি। আমাদের দায়িত্ব হলো শিশুরা ঈশ্বরের প্রেম বুঝতে শিখে বেড়ে ওঠা, যাতে তারা তাঁর ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। <br /><br /><strong>উপসংহার</strong><strong>:</strong></p><p>ঈশ্বর আমাদের শিশুদের যত্ন নেওয়ার জন্য একটি স্পষ্ট আদেশ দিয়েছেন। ঈশ্বরের রাজ্যে তাদের স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং যীশু তাঁর জীবন এবং শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের দেখিয়েছেন কিভাবে তাদের অগ্রাধিকার দিতে হয়। শিশুরা কেবল একটি উপহার নয়, বরং তারা একটি প্রতীক, একটি উদাহরণ এবং পৃথিবীতে ঈশ্বরের মিশনের একটি অংশ।</p><p>আমাদের অবশ্যই ঈশ্বরের বাক্যের জ্ঞান দিয়ে শিশুদের লালন-পালন করতে হবে, তাদের রক্ষা করতে হবে এবং তাদের তাঁর পথ শেখাতে হবে, যাতে তারা তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে এবং ঈশ্বরের রাজ্যে অবদান রাখতে পারে। আসুন আমরা আমাদের উপর অর্পিত শিশুদের যত্ন এবং লালন-পালনের ক্ষেত্রে যীশুর উদাহরণ অনুসরণ করে চলি। আমরা যেন তাঁর রাজ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকৃতি দিতে পারি এবং তাঁর প্রেম ও অনুগ্রহে তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করতে পারি।</p>								</div>
				</div>
					</div>
				</div>
				</div>
		]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
