Bijoy Ministries

মণ্ডলীর ছিদ্র

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদেরকে মণ্ডলীতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান

বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে সামাজিক স্তরবিন্যাস, বর্ণপ্রথার মতো কাঠামো এবং পুরনো ঐতিহ্য খুব শক্ত, সেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা কখনোই ঠিকমতো জায়গা পায় না। তারা জীবনের সাধারণ নিয়মের অংশ নয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রায়ই ‘অপূর্ণ’, ‘হতভাগ্য’, ‘অভিশপ্ত’ বা পরিবারের গোপন পাপের শাস্তি বলে দেখা হয়। তাদের লেখাপড়া, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং দুঃখের বিষয়, ঈশ্বরের উপাসনা থেকেও দূরে রাখা হয়।

গভীর দুঃখের বিষয় হল: মণ্ডলী হিসাবে আমরা প্রায়ই যীশু খ্রীষ্টের পরিবর্তে বরং চারপাশের সংস্কৃতির মতো আচরণ করে থাকি।

এই মণ্ডলীর ছিদ্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিজয় মিনিস্ট্রিজের মনে খুবই যন্ত্রণা দিচ্ছে। আমরা প্রভুর কাছে পরিচালিত হয়ে এই বড় ও জরুরি প্রয়োজনটি মোকাবিলা করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য শুধু অনুষ্ঠান চালানো নয়, বরং পালকদের ও মণ্ডলীর নেতাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যাতে তারা সত্যিকার অর্থে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও বড়দের মণ্ডলীর জীবনের সাথে যুক্ত করতে পারে এবং এই প্রান্তিক, ভুলে যাওয়া, অথচ অমূল্য মানুষদের কাছে খ্রীষ্টের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।

ছিদ্রটি আসলেই রয়েছে

বছর ধরে আমি বাংলাদেশের মণ্ডলীকে কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছি। আমরা অনেক বীজ বপন করি। আমরা ক্রুসেড, প্রার্থনা সভা, বড় সভা, বর্ষপূর্তি উৎসব করি। আমরা বিদেশী প্রচারকদেরকে নিয়ে আসি। তবুও, আমরা খুব সামানই স্থায়ী ফল দেখতে পাই। কিন্তু কেন?

হগয় ভাববাদী নিখুঁতভাবে বলেছেন: “তোমরা অনেক বুনেছ, কিন্তু কাটছ অল্প; তোমরা খেয়ে থাকো, কিন্তু তৃপ্ত হও না; পান কর, কিন্তু তৃষ্ণা মেটে না; তোমরা কাপড়-চোপড় গায়ে দাও, কিন্তু তাতে গা গরম হয় না; তোমরা বেতন পেয়ে ফুঁটা থলিতে রাখ।” (হগয় ১:৬)।

এটাই আমাদের অনেক মণ্ডলীর অবস্থা। আমরা ঝুড়ি দিয়ে জল বহন করার চেষ্টা করছি। আমরা মানুষকে খ্রীষ্টের কাছে আনছি, কিন্তু পরে তাদের হারিয়ে ফেলছি। কেন? কারণ আমাদের মণ্ডলীগুলি দুর্বলদের জন্য নিরাপদ জায়গা নয়।

বাংলাদেশে, সেরিব্রাল প্যালসি, অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত একটি শিশুর পরিবার প্রায়ই লুকিয়ে থাকে। বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যেতে পারেন। মা কলঙ্কিত হন। শিশুকে ঘরের পেছনের কামরায় আটকে রাখা হয়। আর মণ্ডলী? মণ্ডলী তাদের খুঁজতে যায় না। হুইলচেয়ারের জন্য মণ্ডলীতে কোনো ঢালু পথ (র‌্যাম্প) নেই। উপাসনা এত জোরে যে যাদের স্নায়ু খুব সংবেদনশীল, তাদের জন্য তা অসহনীয়। কোন কোন স্থানে নিয়মিত উপাসনা হয় না। সাণ্ডেস্কুলের টিচারদেরকে ঠিকমত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি যে তিনি সেই শিশুটিকে সামলাতে পারেন যার জন্য আলাদা যত্ম দরকার। তাই এধরণের শিশুরা বাড়িতেই থেকে যায়। ফলে ছিদ্রটি আরও বড় হতে থাকে।

ঈশ্বরের মন ও খ্রীষ্টের দেহ

বিজয় মিনিস্ট্রিজ যে সমস্ত প্রশিক্ষনের আয়োজন করে থাকে, তাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ঈশ্বরের হৃদয় ও সুসমাচারের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়। আমরা সেই সত্যটি তুলে ধরি যা অনেক পালক ভুলে গেছেন: খ্রীষ্টের দেহের সকল ধরণের সদস্যের প্রয়োজন।

পৌল ১ করিন্থীয় ১২:২২-২৩ পদে বলেছেন: “বরং দেহের সেই সকল অঙ্গ যাহারা দুর্বল বলিয়া মনে হয়, সেগুলি আরও প্রয়োজনীয়; আর দেহের যেসব অঙ্গ আমরা অসম্মানজনক মনে করি, তাদের আমরা অধিক সম্মান দেই।”

পৃথিবী বলছে: “তারা দুর্বল। তারা অকেজো। তারা বোঝা।” কিন্তু যীশু বলেন: “তারা প্রয়োজনীয়। তারা সম্মানের যোগ্য। তারা একটি মূল্যবাদ গীফট।”

আমি প্রতিটি মণ্ডলীর নেতাদেরকে চাক সুইন্ডলের এই কথাটি দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাই: “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আমাদের পথে বাধা নয়; তারা পথেরই একটি অংশ।”

আশার আলো: আমাদের দেশে ইতিমধ্যে যে সমস্ত কাজ হচ্ছে

সুসংবাদ হল, এই ছিদ্র বন্ধ করতে ঈশ্বর ইতিমধ্যেই কাজ করছেন। আমাদের দেখতে হবে অন্যরা কী করছে এবং তাদের বিশ্বাস অনুসরণ করতে হবে।

১. মারিস্ট মিশনারি সিস্টার্স (ঢাকা)

ঢাকায়, ক্যাথলিক সিস্টাররা ডাউন সিনড্রোম, অটিজম এবং সেরিব্রাল প্যালসিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। যখন এই শিশুরা প্রথম আসে, অনেকেই নিজে থেকে খেতে বা গোসল করতে পারে না। কিন্তু ধৈর্যশীল ভালোবাসার মাধ্যমে তারা শেখে। এক যুবক সেখানে হস্তশিল্প শিখেছে, এখন কেন্দ্রের সাথে কাজ করে এবং বিয়ে করেছে। সিস্টার সুপর্ণা রোজারিও সাক্ষ্য দেন যে মণ্ডলীকে সেই স্থান হতে হবে যেখানে পরিত্যক্তরা একটি পরিবার খুঁজে পায়।

  • আমাদের জন্য শিক্ষা:যদি একটি শিশু হস্তশিল্প তৈরি করতে শিখতে পারে, তাহলে সেই শিশু মণ্ডলীতে সেবা করতে পারে। প্রতিটি ব্যক্তির দক্ষতা চিহ্নিত করতে হবে, তাদের সক্ষমতা যাই হোক না কেন।

২. ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (বরিশাল অঞ্চল)

ওয়ার্ল্ড ভিশন ২০০-এর বেশি ধর্মীয় নেতা—মুসলিম, হিন্দু ও খ্রীষ্টিয়ান—কে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যাতে “প্রতিবন্ধিতা অভিশাপ” এই ধারণাটি পরিবর্তন করে “ঈশ্বর তাদের নিজের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করেছেন” এই ধারণায় পরিণত হয়। এমনকি ইমামরাও এখন প্রচার করেন যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অধিকার রয়েছে।

  • আমাদের জন্য শিক্ষা:যদি ইমামরা অন্তর্ভুক্তির কথা প্রচার করতে পারেন, তবে কীভাবে মণ্ডলী নীরব থাকতে পারে? আমাদের মধ্যে থাকা বাঁধা দেওয়া সাংস্কৃতিক কুসংস্কার ভাঙতে হবে।

৩. বাংলাদেশের চার্চ (নীতি পরিবর্তন)

কোন কোন মণ্ডলী সম্প্রতি ছয়টি নতুন নীতি নির্দেশিকা তৈরি করেছে, যার মধ্যে একটি শিশু সুরক্ষা নীতি এবং একটি লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি নীতি রয়েছে।

  • আমাদের জন্য শিক্ষা:অন্তর্ভুক্তি শুধু আবেগ নয়; এটি একটি কাঠামো। আমাদের মণ্ডলীর সংবিধানে “বিশেষ চাহিদা অন্তর্ভুক্তি” লিখতে হবে। আমাদের নেতাদেরকে (প্রাচীন ও ডিকন) প্রশিক্ষণ দিতে হবে যাতে তারা দুর্বল সদস্যদকে স্বাগত জানাতে ও রক্ষা করতে পারেন।

৪. “প্রতিবেশীকে ভালোবাসো: শিশুদের প্রতি সদ্ব্যবহার” প্রচারণা

এই প্রচারণাটি ল্যাটিন আমেরিকায় শুরু হলেও এর নীতিগুলি বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত। প্রচারণাটি ঘোষণা করে:

  • প্রতিটি শিশু একজন মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সম্মানিত, ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট।
  • প্রতিটি স্থানীয় মণ্ডলী হলো সুরক্ষার একটি কমিউনিটি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রতি ‘সদ্ব্যবহারের সংস্কৃতি’র প্রচারক।
  • প্রতিটি শিশু ও কিশোর-কিশোরী ‘সদ্ব্যবহারের সংস্কৃতি’র প্রচারের এক একজন এজেন্ট।

কল্পনা করুন যদি আমাদের দেশের প্রতিটি মণ্ডলী এই কথাটিকে নিজের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করে।

আমাদের মণ্ডলীগুলির জন্য ব্যবহারিক সমাধান

নিচে কিছু ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলো দেওয়া হলো …

১. পরিবহনের ব্যবস্থা করুন

আমাদের দেশে একজন মা তার প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে মণ্ডলীতে আসতে পারেন না। উন্নত দেশের মত তাদের নিজেদের কোন পরিবতন নেই। মণ্ডলী তাদের জন্য ভ্যান-রিকসা অথবা স্বেচ্ছাসেবকদের একটি নিবেদিত দল যাদের ব্যক্তিগত পরিবহনের সুবিধা আছে—এই সুবিধাগুলি বাড়িতে থাকা এবং যীশুর সাথে সাক্ষাতের মধ্যে অবশ্যই পার্থক্য তৈরি করতে পারে। তাদেরকে খুঁজে নিয়ে আসুন।

২. প্রতিটি শিশুর জন্য একজন সাহায্যকারীকে প্রশিক্ষণ দিন

আপনার বিশেষ পড়ালেখার ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। আপনার দরকার একজন অনুকম্পাযুক্ত ব্যক্তি, যিনি অটিজম আক্রান্ত শিশুর পাশে বসে সেবার সময় তাকে সাহায্য করবেন। এই ব্যক্তি শিশুটিকে অনুসরণ করতে সাহায্য করে, যদি তারা অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে পড়ে তবে তাদের বাইরে নিয়ে যায় যেন অভিভাবকেরা সত্যিকার অর্থে শান্ত ভাবে বসে ঈশ্বরের বাক্য শোনার সুযোগ পায় — যা হয়ত বছরের পর বছর তাদের জন্য সম্ভব হয়নি।

৩. প্রয়োজন নয়, দক্ষতা চিহ্নিত করুন

অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা করুন: “আমার সন্তান কোন বিষয়ে ভালো?” তারা কি উপাসনায় উপহার তুলতে পারবে? তারা কি চেয়ার সাজাতে পারে? তারা কি নীরবে প্রার্থনা করতে পারে? তারা কি একটি গান গাইতে পারে? তাদেরকে শুধুমাত্র সেবা গ্রহিতা হিসেবে দেখবেন না। তাদের সেবক হিসেবেও দেখুন।

৪. পরিত্যক্ত পরিবারের জন্য পালকীয় সেবা

যখন একজন বাবা তার পরিবার ছেড়ে চলে যান কারণ হতে পারে পরিবারে প্রতিবন্ধি সন্তান, বা কন্যা সন্তান বা একাধিক স্ত্রী থাকার জন্য স্বামী স্থায়ী ভাবে এক জায়গায় থাকে না, তখন মণ্ডলীকে এগিয়ে আসতে হবে। পিতৃহীনের পিতা হও (গীতসংহিতা ৬৮:৫)। এর মানে ব্যবহারিক সাহায্য: চাল, তেল, থেরাপির জন্য টাকা, অথবা শুধু দেখা করা ও উৎসাহ জানানো – বলা, “তুমি একা নও।”

৫. প্রতিবন্ধিদের জন্য সচেতনতার রবিবার আয়োজন করুন

বছরে একদিন, প্রতিবন্ধি বিষয়ে খোলাখুলি প্রচার করুন। একজন ডাক্তার, একজন থেরাপিস্ট, অথবা একজন অভিভাবককে তাদের সাক্ষ্য দিতে আমন্ত্রণ করুন। প্রতিবন্ধিতা যে ঈশ্বরের অভিশাপ নয় তা প্রকাশ করুন। ঘোষণা করুন যে সকল শিশুই “ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে তৈরি।”

একটি সতর্কতা এবং একটি প্রতিশ্রুতি

আমাদের দেশে এমন অনেক খ্রীষ্টিয়ানকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি যারা মণ্ডলী থেকে সরে এসেছেন কারণ তারা আঘাত পেয়েছেন। তারা দেখেছেন তাদের প্রতিবন্ধী সন্তানকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে “আরও প্রার্থনা কর” বা “ভূত তাড়িয়ে দাও”। তারা দেখেছে মণ্ডলী সুন্দর ভবন তৈরি করছে যখন তাদের সন্তান ঘরের মাটির মেঝেতে লুটোপুটি খাচ্ছে।  সেই সমস্ত নেতা/পালকদের আমি বলি, ‘আপনি যদি এই ছিদ্র বন্ধ না করেন, তাহলে আপনি অনেক বপন করতে থাকবেন এবং সামান্যই কাটবেন। ঈশ্বর একটি ভাঙা পাত্রে নতুন ফসল ঢালবেন না।’

কিন্তু আপনি যদি আপনার দরজা সত্যিকার অর্থে খুলে দেন— সকল শিশু (খ্রীষ্টিয়ান ও নন-খ্রীষ্টিয়ান) ও প্রতিবন্ধীদের জন্য—তাহলে আপনি এমন একটি ফসল দেখতে পাবেন যা আপনি ধারণ করতে পারবেন না। আপনি পরিবারগুলিকে রক্ষা পেতে দেখবেন। আপনি অলৌকিক কাজ দেখবেন। আপনি প্রেরিত ২ অধ্যায়ের মণ্ডলীর মতো হয়ে উঠবেন: সকল বিশ্বাসীদের একটি সমাজ, বিশেষ চাহিদাসহ এবং চাহিদা ছাড়া, একসঙ্গে প্রভুর উপাসনা করা।

আমার প্রার্থনা

প্রভু, আমি তোমাকে আমাদের মণ্ডলীর ছিদ্র বন্ধ করতে অনুরোধ করছি। আমাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস দাও। সেই সব অবহেলিত ও ভুলে যাওয়া লোকদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য হৃদয়ে উপচে পড়া ভালোবাসা দাও। এ দেশে এমন পালক ও নেতাদেরকে উঠাও যারা শুধু স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণদের কাছে প্রচার করবেন না, বরং পেছনের ঘর এবং লুকানো বাড়িগুলিতে যাবেন এবং তাদেরকে বাইরে নিয়ে আসবেন। মণ্ডলী দুর্বলদের জন্য একটি বিজয় হোক। যীশুর নামে, আমেন।

“কিন্তু যীশু বললেন, ‘ছোটো ছেলেমেয়েদের আমার কাছে আসতে দাও, আর তাদের বাধো না; কারণ স্বর্গরাজ্য এমনদেরই।'” (মথি ১৯:১৪)

এর মধ্যে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুটি অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে হুইলচেয়ারে থাকা কিশোরটি অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে বৃহত্তর জনগোষ্টির নাম না জানা শিশু-কিশোরেরাও অন্তর্ভুক্ত, অন্তর্ভুক্ত যে কথা বলতে পারে না, সেও। তারা আমাদের পথে বাধা নয়। তারাই পথ।

— ফ্রান্সিস কিশোর, বিজয় মিনিস্ট্রিজ

Scroll to Top